সেই কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে ইউএনও’র আল্টিমেটাম

আপডেট: 07:49:42 09/07/2018



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে গর্ভের সন্তানের স্বীকৃতি চাওয়ায় অবরুদ্ধ সেই নবম শ্রেণিপড়ুয়া কিশোরীর (১৫) বাড়িতে গেলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান। সোমবার দুপুরে বাড়িটিতে গিয়ে তিনি ওই কিশোরীর সঙ্গে কথা বলেন।
কিশোরী ইউএনও-কে জানিয়েছে, সামাজিকভাবে সে একটা সিদ্ধান্ত চায়। এর পর ইউএনও অভিযুক্ত ইসরাফিলের মা ও তাদের পক্ষের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। ইউএনও ওবায়দুর রহমান ছেলে পক্ষকে আজ (সোমবার) সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় দিয়ে দেন। তিনি বলেছেন, সন্ধ্যার মধ্যে সিদ্ধান্তে আসতে হবে। না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এসময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মৌসুমি আক্তার, খেদাপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আইনুদ্দীন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মানোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘গণমাধ্যমে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় তা নজরে আসে মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের। সেখান থেকে মণিরামপুর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা পেয়ে আজ (সোমবার) দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়েছি।’
ইউএনও বলেন, ‘আমরা ওই কিশোরীর সাথে কথা বলেছি। সে সামাজিকভাবে মীমাংসা চেয়েছে। সেই অনুযায়ী ছেলে পক্ষের লোকজনকে সন্ধ্যার মধ্যে একটা সিদ্ধান্তে আসতে বলা হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
প্রসঙ্গত, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে মণিরামপুরের ছোট সালামতপুরের হায়দার আলী খাঁর কলেজপড়ুয়া ছেলে ইসরাফিল তার চাচাতো বোন নবম শ্রেণির ছাত্রী ১৫ বছরের এক কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার সাড়ে চার মাস পরে খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ করা হচ্ছে, রোহিতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনছার আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের পক্ষ নেন। এরপর থেকে ওই কিশোরীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়; যা নিয়ে সুবর্ণভূমিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়

আরও পড়ুন