সোর্স হতে অপরাগতা, মারধরের অভিযোগ

আপডেট: 08:12:15 07/09/2019



img

স্টাফ রিপোর্টার: যশোরে মামুন হোসেন বাপ্পী (৩২) নামে একজন পার্টস ব্যবসায়ীকে মারপিট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার অভিযোগ, যশোর সদর ফাঁড়ির এটিএসআই আতাউর রহমানের সোর্স না হওয়ায় তাকে মারধর করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আতাউর বলেছেন, ওই নামে তিনি কাউকে চেনেন না।
আহত মামুন যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আজ শনিবার বিকেল ৪টার দিকে শহরের বারান্দিপাড়া ঢাকারোড এলাকায় জাফরের পান দোকানের সামনে মারধরের ঘটনাটি ঘটে বলে মামুন জানান।
মামুন হোসেন বাপ্পী বলেন, আমাদের শহরের আরএন রোডে রিফাত মটরস নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। এটিএসআই আতাউর রহমান আমাকে পুলিশের সোর্স হিসেবে তার কাজ করতে বলেন। আমি অপরাগতা প্রকাশ করি। আজ বিকেলে তিনি আমাকে মোবাইলফোনে ডাকলেও আমি যাইনি। তিনি আমার অবস্থান জানতে চাইলে জানাই, ঢাকারোড জাফরের পান দোকানের সামনে বলি। কিছুসময় পর তিনি ঘটনাস্থলে এসে কোনোকিছু বুঝে উঠার আগেই আমাকে চড়, থাপ্পড়, লাথি, ঘুষি মারতে থাকেন। একপর্যায়ে আমি মাটিতে পড়ে গেলে তিনি চলে যান।  শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাই। এর আগেও তিনি আমাকে ৩/৪ দিন এভাবে মারপিট করেছেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার কল্লোল কুমার সাহা বলেন, পাবলিক অ্যাসাল্ট হিসেবে হাসপাতালে যুবকটি এসেছেন।  রোগী জানিয়েছে- তাকে চাপা আঘাত করা হয়েছে। তার বুকের এক্স-রে করতে বলা হয়েছে। তবে তার অবস্থা খুব একটা খারাপ না।
জানতে চাইলে এটিএসআই আতাউর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘মামুন হোসেন বাপ্পী নামে কাউকে চিনি না। সে পুলিশের সোর্স কি-না তা আমার জানার বিষয় না। পান দোকানদার জাকিরের সাথে টাকাপয়সা লেনদেন নিয়ে তার কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে ওখান থেকে সরিয়ে দিয়েছি, মারপিট করিনি।’
জানতে চাইলে সদর ফাঁড়ির ইনসপেক্টর ফিরোজ উদ্দীন বলেন, ‘এ রকম কোনও ঘটনা জানা নেই।’
কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘এমন কোনও ঘটনা জানা নেই। সদর ফাঁড়ির ইনসপেক্টরের সাথে কথা বলে খোঁজ নিয়ে দেখছি। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
মামুন হোসেন বাপ্পী যশোর শহরের মোল্লাপাড়া আমতলার জুলু মিয়ার ছেলে।

আরও পড়ুন