সোহাগ পরিবহনে যাত্রী হেনস্থা, পরে মুচলেকা

আপডেট: 09:00:21 07/02/2019



img

স্টাফ রিপোর্টার: সোহাগ পরিবহন যশোর কাউন্টারের বিরুদ্ধে যাত্রী লাঞ্ছনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  এই ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিবহনের বুকিং ক্লার্ক আজিজুল আলমকে আটক করে আদালতে বসিয়ে রাখেন। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার শেখ জালাল উদ্দিন সুবর্ণভূমিকে বলেন, আজ সকালে একজন ভদ্রমহিলা যশোর উপশহর সোহাগ পরিবহনের ৩০৯ নম্বর কোচে ৫৫০ টাকায় টিকিট কেটে ঢাকায় যাচ্ছিলেন।   ।  গাড়িতে ওঠার সময় টিকিটটি খুজে পাননি ওই মহিলা। তখন ওই যাত্রীর সাথে অসদাচরণ করেন সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের লোকজন।  একপর্যায় ওই ভদ্রমহিলা বাধ্য হয়ে আবারও টাকা দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।  চলতিপথে তিনি মোবাইলফোনে যশোরের জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন।  জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ জামশেদুল আলমকে ঘটনাস্থলে পাঠান।  ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে যেয়ে কাউন্টারের বুকিং ক্লার্ক আজিজুল আলমকে আটক করে আদালতে এনে বসিয়ে রাখেন। 
তিনি জানান, পরিবহনের অনলাইন সিস্টেম চালু আছে।   এতে কে টিকিট কাটল আর কে কাটলো না তা দেখতে পাওয়া যায়।  সেখানে দেখা যায়, ওই ভদ্রমহিলা টিকিট কেটেছেন।  পরে আদালতে দোষ স্বীকার করে মুচলেকা দিয়ে এবং ওইভদ্র মহিলার টাকা ফেরৎ দেওয়ার পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ জামশেদুল আলম সুবর্ণভূমিকে বলেন, যে ভদ্র মহিলার সাথে অসদাচরণ করে দুইবার করে টাকা নিয়েছেন সোহাগ পরিবহনের স্টাফ।  তারা এ রকম কাজ আর জীবনে করবেন না শর্তে মুচলেকা দেন ।এবং দোষ স্বীকার করে টাকা ফেরৎ দেন ।  ওই ভদ্রমহিলাও তার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেন।
জানতে চাইলে সোহাগ পরিবহন যশোরের সহকারী ম্যানেজার আব্দুল কাউয়ুম সুবর্ণভূমিকে বলেন, আমাদের পরিবহন মালিকের আদেশ গাড়িতে যাওয়ার জন্য কেউ টিকিট কেটে যদি সেই টিকিট হারিয়ে ফেলে তাহলে ওই যাত্রীকে আবার টাকা দিতে হবে।  আমরা সে আদেশ মেনে আবার টাকা নিয়েছি।