সৌদিতে নিহত ভেড়ামারার রফিকুলের বাড়িতে মাতম

আপডেট: 08:12:08 03/05/2019



img

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : সৌদি আরবে গতকাল সড়ক দুর্ঘটনায় যে দশ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে রফিকুল ইসলাম নামে একজনের বাড়ি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায়।
তিনি ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। রফিকুলের রিতু (১৫) ও সেতু (১০) নামে দুটি মেয়ে ও ইব্রাহিম (৪) নামে একটি ছেলেসন্তান রয়েছে।
মৃত্যুর সংবাদ আসার পর রফিকুলের বাড়িতে শুরু হয়েছে মাতম।
নিহত রফিকুলের স্ত্রী হীরা খাতুন জানান, চলতি বছরের মার্চ মাসের ২৪ তারিখে রফিকুল সৌদি আরবে যান। মৃত্যুর এক ঘণ্টা আগেও পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা হয়েছিল তার। এরপর থেকে রফিকুলের মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে সৌদি আরবে একই গাড়িতে থাকা সহকর্মী রাশিদুলের স্ত্রীর মাধ্যেমে তারা জানতে পারেন, রফিকুল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
নিহতের বাবা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রফিকুলের মৃত্যুর সংবাদ সরকারিভাবে জানানো না হলেও লোক মারফত শুনেছি। তবে আসলে আমার ছেলের কী হয়েছে তা সঠিকভাবে আমরা জানতে পারেনি।’
এই দুর্ঘটনায় রাশিদুলও গুরুতর আহত হয়েছেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়নে।
নিহত রফিকুল ইসলাম ও আহত রাশিদুল ইসলাম সৌদি আরবের দাম্মামের আল হাবিব ক্যাটারিং সার্ভিসে কর্মী হিসেবে যোগদান করতে বৃহস্পতিবার দাম্মাম থেকে মদিনায় যাচ্ছিলেন। রিয়াদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তরে সাকরা এলাকায় তাদের গাড়ির টিউব বার্স্ট হয়ে একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে সেখানেই কুষ্টিয়ার রফিকুল ইসলামসহ দশ বাংলাদেশি নিহত এবং রাশিদুল ইসলামসহ সাতজন আহত হন।