৩২ ধারা বাদ দাও : সরকারকে সম্পাদক পরিষদ

আপডেট: 02:06:11 07/02/2018



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : মুক্ত সাংবাদিকতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারা অন্তরায় হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করে সম্পাদক পরিষদ। আর তাই ৩২ ধারা এবং আইসিটি আইনের ৫৭ ধারাসহ বিতর্কিত ধারা বাদ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ‘সম্পাদক পরিষদ’।
তাড়াহুড়া না করে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তাবিত আইনটি চূড়ান্ত করার পক্ষেও মত দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর সম্পাদক পরিষদের এক বিবৃতিতে এসব দাবি জানানো হয়। ওই বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া নিয়ে আলোচনা করেন সম্পাদকরা।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের হয়রানিমূলক ৫৭ ধারা বাতিল করে ওই ধারার বিতর্কিত বিষয়গুলো প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রেখে দেওয়া এবং এর পাশাপাশি আরো নতুন কয়েকটি কঠোর ধারা সংযোজন করায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সম্পাদক পরিষদ।’
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারায় ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তি প্রসঙ্গে অপরাধের ধরন ও শাস্তির যে বিধান রাখা হয়েছে, তা গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনা এবং বাকস্বাধীনতায় আঘাত করবে। একই সঙ্গে তা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলার মতো পরিবেশ সৃষ্টি করবে।’
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রস্তাবিত এ আইন আরো কঠোর। সম্পাদক পরিষদ মনে করে, পুরনো আইন বাতিল করে নতুন আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় অংশীজনদের সংশ্লিষ্ট রাখা প্রয়োজন।’
বৈঠকে আরো সম্পাদকদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ট্রিবিউনের জাফর সোবহান, নিউ এজের নূরুল কবীর, মানবজমিনের মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলোর মতিউর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নঈম নিজাম, নয়া দিগন্তের আলমগীর মহিউদ্দিন, যুগান্তরের সাইফুল আলম, বণিকবার্তার দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, নিউজ টুডের রিয়াজউদ্দিন আহমেদ, ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের এ এইচ এম মোয়াজ্জেম হোসেন, সংবাদের খন্দকার মূনিরুজ্জামান, ভোরের কাগজের শ্যামল দত্ত, ইনডিপেনডেন্টের এম শামসুর রহমান, ইনকিলাবের এ এম এম বাহাউদ্দিন, করতোয়ার মো. মোজাম্মেল হক এবং আজাদীর এম এ মালেক।
সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন