৩৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন মহেশপুর

আপডেট: 07:29:34 12/09/2017



img

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : গত ৩৪ ঘণ্টার মধ্যে মহেশপুর পৌর এলাকায় ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল না। এই সময়কালে মাত্র ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পান শহরের গ্রাহকরা।
ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের অভিযোগ, বিদ্যুতের লোডশেডিং শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফোন বন্ধ করে দেন। ফলে গ্রাহকদের কেউ তাদের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারেন না।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত রোববার বিকেল ৪টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। রাত ১২টার কিছু পরে বিদ্যুৎ আসে। আবার সোমবার একটু বৃষ্টি হওয়ার কারণে দুপুর ২টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। বিদ্যুৎ আসে রাত একটা ৪০ মিনিটে। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের মহেশপুরের আবাসিক প্রকৌশলী অমল কুমার জোয়ার্দার, সহকারী কর্মকর্তা প্রকৌশলী সাগর আহম্মেদ, লাইনম্যান মো. বারেক, লিটন মিয়ার ফোন যথারীতি বন্ধ হয়ে যায়। ঊর্ধ্বতন দুই কর্মকর্তার সরকারি মোবাইল নাম্বারও বন্ধ পাওয়া যায়।
পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কাজী আতিয়ার রহমান অভিযোগ করেন, দুই দিনে পৌর এলাকায় ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল না। এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকরা ফোন করেও সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পাননি। কারণ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা ফোন বন্ধ করে দেন।
পৌরসভার মেয়র আব্দুর রশিদ খান জানান, দুই দিনে ২০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলেও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কখন বিদ্যুৎ আসবে তাও জানা সম্ভব হয়নি তাদের ফোনগুলো বন্ধ থাকার কারণে।
পিডিবি মহেশপুরের আবাসিক প্রকৌশলী অমলকুমার জোয়ার্দার জানান, রোববার ঝিনাইদহে ঝড়-বৃষ্টির কারণে কালীগঞ্জ বিষয়খালী লাইনে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। আর গত সোমবার বৃষ্টির কারণে মহেশপুর এলাকার জগন্নাথপুর কাটাখালীর কয়েকটি স্থানে পিন ফেটে যাওয়ায় কিছু সমস্যা হয়েছে। যার কারণে এই ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে গ্রাহকদের।

আরও পড়ুন