‘আমার ছেলেকে কেনো নেতা বানানো হলো?’

আপডেট: 09:11:51 14/05/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর পুলিশ লাইন টালিখোলা দারুল কোরআন মাদরাসা ও এতিমখানা প্রাঙ্গণে রাখা হয় তরুণলীগ নেতা মনিরুলের লাশ। আসরবাদ জানাজা।
লাশের পাশে দাঁড়িয়ে মনিরুলের মা বিলাপ করে কাঁদছিলেন। এই বৃদ্ধার বিলাপে যেন ভারি হয়ে উঠছিল আকাশ-বাতাস। সব কথা বোঝা যাচ্ছিল না। যতটুকু বোঝা যাচ্ছিল, তার সারমর্ম হলো, ‘আমার ছেলেকে কেনো নেতা বানানো হলো? আমার ছেলেই ছিল সংসারের একমাত্র আয়ের মানুষ। এখন কীভাবে চলবে সংসার? কীভাবে পড়াশোনা হবে মনিরুলের সন্তানদের?’
লাশের পাশে নির্বাক দাঁড়িয়ে ছিলেন মনিরুলের স্ত্রী লিজা বেগম। নিহত মনিরুলের দুই ছেলে। বড় ছেলে যশোর শাহীন কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র সংগ্রাম। ছোট ছেলে সাজিদ তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে।
বড় ছেলে ভেবে পাচ্ছে না কীভাবে চলবে তার পড়াশোনা। এই সুবর্ণভূমিকে সে বললো, ‘আমার কলেজটা কি একটু পাল্টে অন্য কলেজে দিতে পারবেন?’
কেনো কলেজ পাল্টাতে হবে?- এমন প্রশ্নে তার জবাব, ‘শাহীন কলেজে তো ছাত্রদের অনেক খরচ। আব্বা নেই। কীভাবে খরচ চলবে?’
আগের রাতে যশোর শহরের পালবাড়ি এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া বোমার আঘাতে নিহত হন মনিরুল। তিনি ছিলেন জেলা তরুণলীগ ও অটোবাইক কল্যাণ সোসাইটির সাংগঠনিক সম্পাদক। তাকে হত্যার প্রতিবাদে আজ যশোরে ইজিবাইক ধর্মঘট পালিত হয়। লাশ নিয়ে মিছিলও করে তরুণলীগ।

আরও পড়ুন