‘ইতোপূর্বে হাসপাতালে এমন উন্নয়ন হয়নি’

আপডেট: 07:07:39 26/08/2019



img

স্টাফ রিপোর্টার : সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু বলেছেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর হাসপাতালে যে উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হয়েছে, ইতোপূর্বে তা হয়নি। উন্নয়ন কর্মকা- নিয়ে কিছু বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে, সাধারণ মানুষকে ভুল তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু কমিটমেন্টের জায়গা থেকে আমি একটুও পিছপা হইনি।
ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু সোমবার দুপুরে জেনারেল হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি এই হাসপাতালে ডিজিটাল এক্সরে মেসিন, কালার ডপলার আল্ট্রাসনো মেসিন স্থাপন, চতুর্থতলার কাজ শুরু এবং হাসপাতাল এলাকা পরিস্কার- পরিচ্ছন্ন রাখতে ৩০জন পরিচ্ছন্নকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, হাসপাতালে এইসব পরিচ্ছন্নকর্মী ‘মেয়র কমিটির’ মাধ্যমে নিয়োগ এবং জনসম্পৃক্ততা কর্মসূচির আওতায় তাদের বেতন পরিশোধ করা হয়। নিয়োগকৃতদের এক তৃতীয়াংশের বেতনের জাহেদি ফাউন্ডেশন এবং বাদ বাকি যশোরের বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, হাসপাতালে নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন কেন্দ্র রয়েছে। দীর্ঘদিন এটি অনিয়মতান্ত্রিক পন্থায় চলতো। বর্তমানে সেখানে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ডেঙ্গু রোগী ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কেউ কেউ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন দাবি করে তিনি বলেন, নিম্নমানের কিট ক্রয়ের কোনও চান্সই এখানে নেই। প্রথমদিকে জরুরি প্রয়োজনে একটু বেশি দামে আমরা কিট কিনেছি এটা সত্যি। কিন্তু পরবর্তীতে সরকার নির্ধারিত কোম্পানি ও দামে আমরা কিট কিনেছি।
তিনি বলেন, এ যাবৎ সর্বমোট ৪ হাজার ৩২০টি আমরা পেয়েছি। তারমধ্যে সরকারের কাছ থেকে প্রায় ২ হাজার এবং বাদবাকি বিভিন্ন সংগঠন, ব্যক্তিগত এবং অনুদানের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে ২ হাজার ৯০৯ কিট এবং প্রায় তিনশ’ মশারি মজুত রয়েছে। তাছাড়া এমপি কাজী নাবিল আহমেদের দেওয়া অনুদানের দুই লাখ টাকার মধ্যে প্রায় এক লাখ টাকা নরমাল স্যালাইন, মশা মারার জন্যে অ্যারোসল, বিভিন্ন ফেস্টুন তৈরিতে খরচ হয়েছে। বাকি টাকা রেখে দেওয়া হয়েছে যেকোনও ক্রাইসিস মুহূর্তে খরচের জন্যে।
তিনি বলেন, কাজ করলে কিছু ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে। কিন্তু এই হাসপাতাল থেকে অর্থ আয় করতে হবে- এমন মানসিকতা আমার কখনও ছিল না, এখনও নেই। যশোরের সন্তান হিসেবে এই অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে কিছু কাজ করার ব্রত থেকেই আমি এসব উন্নয়নমূলক কাজ করেছি।
মতবিনিময়সভায় অন্যদের মধ্যে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার-আরএমও ডা. আরিফ আহমেদ, ডা. আব্দুর রহিম মোড়ল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন