‘দুই বন্ধু ব্লেড দিয়ে গলা কেটে খুন করে সাকিবকে’

আপডেট: 08:34:55 15/05/2018



img
img

চুয়াডাঙ্গায় প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গায় দুই বন্ধু ব্লেড দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে স্কুলছাত্র সাকিবকে। আটক বন্ধুরা পুলিশের কাছে সাকিব হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার কার্যালয় মিলানায়তনে পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গত সোমবার ঘটে যাওয়া সাকিব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান।
‘সাকিব হত্যাকাণ্ডে জড়িত’ তার দুই বন্ধুকে তাদের বাড়ি থেকে সোমবার দিনগত রাত একটার সময় পুলিশ আটক করে। সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয় নিহত সাকিবের মোটরসাইকেল ও ডিএসএলআর ক্যামেরা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, চুয়াডাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র সাকিব (১৭) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তার দুই বন্ধু চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাতিকাটা গ্রামের রাশিদুল ইসলামের ছেলে চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র তৌফিকুল ইসলাম তপু (১৬) ও একই উপজেলার দৌলাতদিয়াড়ের ইসতিয়ার হোসেনের ছেলে পাভেলকে (১৬) আটক করা হয়।
আটক দুই কিশোরের দেওয়া তথ্য উদ্ধৃত করে এসপি জানান, নিহত সাকিব ঘাতক তপুর এক বান্ধবীর সঙ্গে প্রেম করতো। সাকিবকে তার বান্ধবীর সঙ্গে প্রেম ও মোবাইল ফোনে কথা বলতে বারণ করে তপু। এর কয়েক মাস আগে সাকিব তার কিছু বন্ধুসহ তপুকে মারধর করে। ওই ঘটনার জের ধরে গত সোমবার সকাল দশটার দিকে সাকিবকে তার বাড়ি থেকে তপু ও পাভেল বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায়। ফেরার পথে তাকে হত্যা করা হয়। গত সোমবার সন্ধ্যার একটু আগে দামুড়হুদা উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ভাইমারা খালের পশ্চিম পাশে নিয়ে হত্যা করা হয়। প্রথমে তপু সাকিবের গালে জোরে থাপ্পড় মারলে সে মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় কোমরের বেল্ট দিয়ে সাকিবের গলা চেপে ধরে তারা। তারপর তপু ব্লেড দিয়ে শ্বাসনালী কেটে তাকে হত্যা করে
এ ব্যাপারে দামুড়হুদা মডেল থানায় মামলা হয়েছে বলে সেখানকার অফিসার ইনচার্জ আকরাম হোসেন প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) আহসান হাবিব ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কলিমুল্লাহ।

আরও পড়ুন