‘নিরাপত্তাহীন’ সচিব অফিস শুরু করেছেন

আপডেট: 06:19:21 02/10/2018



img

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি : ‘নিরাপত্তার কারণে’ ২০ দিন পর নিজ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরজাহান খানম।
গত সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদের মাসিক সভায় পরিষদের তিনজন সদস্যের মারমুখী আচরণ ও তাকে কার্যালয়ে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন নুরজাহান; এবং এই কারণে তিনি এতোদিন কার্যালয়ে বসে কাজ করতে পারেননি।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন খোকন জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে জেলা পরিষদ কার্যালয় মিলনায়তনে মাসিক সভা চলাকালীন চুয়াডাঙ্গা থেকে ঝিনাইদহ ও মেহেরপুর জেলামুখী সড়ক সম্প্রসারণ কাজের জন্য ১৫টি গাছ কাটার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়। এ সময় কয়েক জন সদস্য গাছ কাটা সংক্রান্ত ওই কমিটিতে তাদের রাখার দাবি তোলেন। কিন্তু সরকারি প্রজ্ঞাপনে জেলা পরিষদ সদস্যদের কমিটিতে থাকার এখতিয়ার নেই বলে সভায় জানান সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরজাহান খানম। তার পরই হট্টগোল শুরু হয়ে সভা পণ্ড হয়ে যায়।
তিনি বলেন, ওই সময় উত্তেজিত সদস্যদের থামানো যায়নি। ওই সভা শেষে নিরাপত্তাজনিত কারণে নুরজাহান খানম তার কার্যালয়ে না এলেও বাড়িতে বসেই দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হুইপ সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন জেলা পরিষদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে ঢাকা থেকে একজন সচিব চেয়ে পাঠিয়েছেন বলে তিনি জানান।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরজাহান খানম বলেন, ‘মাসিক সভায় উত্থাপন করা সরকারি প্রজ্ঞাপনটির নির্দেশনা না বুঝেই জেলা পরিষদের এক নম্বর ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল ইসলাম সাহান, দুই নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মাফলুকাতুর রহমান সাজু এবং সাত নম্বর ওয়ার্ড সদস্য খলিলুর রহমান খলিল আমার সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করে এবং আমাকে জেলা পরিষদে না আসার জন্য হুমকি দেয়। অপ্রীতিকর ঘটনাটি আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানাই। নিরাপত্তাহীনতার কারণে এতোদিন আমি কার্যালয়ে যেতে পারিনি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আবারো আমি ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছি।’

আরও পড়ুন