‘শ্মশান রক্ষার নামে সাম্প্রদায়িক উসকানি’

আপডেট: 04:29:33 02/12/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর নীলগঞ্জ মহাশ্মশানের সব ‘স্থাপনা ভেঙে পানির নিচে ফেলা হয়েছে’ বলে অপপ্রচার চালিয়ে সা¤প্রদায়িক উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের যশোর জেলা সভাপতি অসীম কুণ্ডু।
আজ রোববার প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।
দীপঙ্কর দাস রতন ও ভোলানাথ সাহার নাম উলে­খ করে তিনি বলেন ‘‘এই দুজনসহ  পূজা উদযাপন পরিষদের কিছু সদস্য ‘শ্মশান রক্ষা কমিটি’র নামে শ্মশান দখল কমিটি করেছে। তারাই নিজেদের হীন স্বার্থ উদ্ধার এবং শ্মশান নিজেদের দখলে নেওয়ার জন্য এমন ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। পাশাপাশি তারা পূজা উদযাপন পরিষদ ও মহাশ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দের নামে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করে যশোরের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টির প্রয়াস চালাচ্ছে।’’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তপন ঘোষ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ভৈরব নদ খননকালে নীলগঞ্জ মহাশ্মশানে শবদাহের একটি চিতা সম্পূর্ণ ভেঙে ফেলা হয়। আর একটি চিতার ক্ষতিসাধন হয়। এ ঘটনায় সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষের মনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
‘আমরা নদী খননের পক্ষে। এবং এ বিষয় নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ কর্মকর্তাদের সাথে পূজা উদযাপন পরিষদ ও নীলগঞ্জ মহাশ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দের আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, শবদাহের একটি চিতা ভেঙে ফেলার এবং আরেকটি চিতা সংরক্ষণ করার। ভেঙ্গে ফেলা চিতাটি শ্মশানের অন্য স্থানে নির্মাণ করার সিদ্ধান্তও হয়,’ বলা হয় লিখিত বক্তব্যে।
যশোরের জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত চিতাটি দ্রুত নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পূজা উদযাপন পরিষদের জেলা ও উপজেলা এবং নীলগঞ্জ মহাশ্মশান কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন