‘সাফার ভাড়াটে খুনি পেয়েছে মাত্র ২০ হাজার’

আপডেট: 05:51:52 07/01/2019



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে মোটর পার্টস ব্যবসায়ী মহিদুল ইসলাম সাফা খুন হন ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের কারণে। ভাড়াটে খুনিরা দুই লাখ টাকার চুক্তিতে তাকে মেরে ফেলে।
এই তথ্য দিয়েছে খুনে জড়িত অভিযোগে গ্রেফতার রানা মোল্যা (১৯) ও তার সহযোগী রাকিব (১৯)। গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এই দুইজনকে গ্রেফতার করে। উদ্ধারের দাবি করা হয়েছে হত্যার কাজে ব্যবহৃত রক্তমাখা ধারালো চাকুটিও।
আজ সোমবার দুপুরে ডিবি পুলিশের ওসি মনিরুজ্জামান তার কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে বলেন, গত ১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মোড়ে ব্যবসায়ী মহিদুল ইসলাম সাফাকে গলায় ছুরি মেরে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এঘটনায় কোতয়ালী থানায় একটি হত্যা মামলা (নম্বর-২। তারিখ-০১.০২.১৯) হয়।
ওসি বলেন, ‘গত ৪ ডিসেম্বর মামলাটি তদন্তভার গ্রহণ করে ডিবি। এসআই মফিজুল ইসলাম প্রযুক্তি ব্যবহার করে রোববার রাতে শহরের শংকরপুর ছোটনের মোড় এলাকার আকরাম মোল্যার ছেলে রানা মোল্যাকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করেন। রানা স্বীকার করে, সে ও এক সহযোগী মিলে সাফাকে হত্যা করেছে। রানার স্বীকারোক্তি মোতাবেক শহরের গাড়িখানায় ইটের নিচ থেকে হত্যার কাছে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাকুটি উদ্ধার করা হয়।’
ধরা পড়া দুইজনের উদ্ধৃতি দিয়ে ওসি মনিরুজ্জামান জানান, সাফাকে খুনের জন্য এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে রানার দুই লাখ টাকা চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে বিশ হাজার টাকা সে নগদ পেয়েছে।
সাফা খুনে জড়িত অভিযোগে গ্রেফতার দ্বিতীয় ব্যক্তি একই এলাকার লিটন বাবুর ছেলে রাকিব। তবে তিনি খুনের সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন না, বলছে ডিবি।

আরও পড়ুন