‘চেয়ারম্যান খুনে আওয়ামী নেতা মনি জড়িত নন’

আপডেট: 06:59:50 20/02/2018



img

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি : চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশ হত্যা মামলায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে শরীফ মনিরুজ্জামানকে জড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে একদল দুর্বৃত্ত বহু মানুষের সামনে গুলি করে ও কুপিয়ে খুন করে দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পলাশকে। এই ঘটনায় রুজু করা মামলায় প্রধান আসামি করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা শরীফ মনিরুজ্জামানকে। পরে মনিরুজ্জামানকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করে নড়াইল পুলিশ। আজ বিকেলে লোহাগড়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মনিরুজ্জামানের পরিবার দাবি করেছে, তিনি খুনের ঘটনায় জড়িত নন।
মঙ্গলবার লক্ষ্মীপাশা চৌরাস্তায় একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক শরীফ মনিরুজ্জামানের বড় বোন সাবিনা ইয়াসমিন নিরু। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিরু বলেন, ‘দিঘলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশকে (৪৮) অজ্ঞাত দুবৃর্ত্তরা হত্যা করে। হত্যার ঘটনায় নিহত চেয়ারম্যানের বড় ভাই সাইফুর রহমান হিলু বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে লোহাগড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় আমার দুই ভাই শরীফ মনিরুজ্জামান ও বাকী বিল্লাহকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে আসামি করা হয়েছে। আমার ভাই শরীফ মনিরুজ্জামান ঢাকা এজিআই (তৈরি পোশাক শিল্প) কোম্পানির ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন। ছোট ভাই বাকি বিল্লাহ কুমড়ী গ্রামে বসবাস করে। ঘটনার দিন শরীফ মনিরুজ্জামান ঢাকার অফিসে কর্মরত ছিলেন। অথচ তাদেরকে হয়রানির জন্য ফাঁসানো হয়েছে।’
‘আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে এই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একই সাথে আমার দুই ভাইয়ের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানাই,’ বলেন নিরু।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শরীফ মনিরুজ্জামানের মা হোসনেয়ারা বেগম, ভাই বাকি বিল্লাহর স্ত্রী মাহমুদা শরীফ, বোন সুলতানা জাহান, মরিয়ম বেগম ও ছোট ভাই আরিফ বিল্লাহ।

আরও পড়ুন