গঞ্জেরাজের চালক রিমান্ডে

আপডেট: 04:19:15 19/09/2018



img

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ায় শিশু আকিফা হত্যা মামলায় গঞ্জেরাজ পরিবহনের ওই বাসের চালক মহিদ মিয়াকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
আজ বুধবার দুপুর পৌনে ১২টায় কুষ্টিয়া জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম এম এম মোর্শেদ শুনানি শেষে তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ফরিদপুর সদর উপজেলার বঙ্গেশ্বরদী এলাকা থেকে মহিদকে গ্রেফতার করেন র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের সদস্যরা। পরদিন দুপুরে তাকে কুষ্টিয়া সদর থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
কুষ্টিয়া আদালতের সদর জিআরও শাখা সূত্রে জানা যায়, গত রোববার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া মডেল থানার উপপরিদর্শক সুমন কাদেরী মহিদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আজ সকালে এ বিষয়ে শুনানি হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
কুষ্টিয়া আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) শাখার উপপরিদর্শক আজাহার আলী এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ফয়সাল গঞ্জেরাজ নামের বাসটি গত ২৮ আগস্ট কুষ্টিয়ার চৌড়হাস মোড় এলাকায় ওই শিশুসহ তার মাকে ধাক্কা দেয়। এতে সড়কে ছিটকে পড়ে আকিফা গুরুতর আহত হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় শিশুটি। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা হয়। মামলায় বাসের মালিক, চালকসহ তিনজনকে আসামি করা হয়ে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুষ্টিয়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন কাদেরী।
এ ঘটনায় গত ৯ সেপ্টেম্বর গঞ্জেরাজ পরিবহনের মালিক মো. জয়নাল আবেদীনকে (৬৩) গ্রেফতার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে র‌্যাব। ১০ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। একই সময় গঞ্জেরাজ বাসের চালক মহিদ মিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তাদের দুজন আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করলে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন।
পরদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুমন কাদেরী মামলাটি ৩০২ ধারায় সংযোজন করার জন্য একই আদালতে আবেদন করেন। আবেদনটি আদালত মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে আদালতের উপপরিদর্শক আজহার আলী বাসের মালিক ও চালকের জামিন আদেশ বাতিলের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন আদেশ বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব মহিদকে গ্রেফতার করে।

আরও পড়ুন