চেয়ারম্যান পলাশ হত্যার কুলকিনারা হয়নি

আপডেট: 01:12:06 18/02/2018



img

রূপক মুখার্জি, লোহাগড়া (নড়াইল) : লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশ হত্যাকাণ্ডের কোনো কুলকিনারা হয়নি।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যার সঙ্গে কারা জড়িত, তা নিয়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিসপাড়া পর্যন্ত চলছে সরব আলোচনা। পলাশ হত্যার ঘটনায় লোহাগড়া থানায় শনিবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।
লক্ষ্মীপাশা, গোপীনাথপুর, রাজুপুর এবং নিহত চেয়ারম্যানের নিজ গ্রাম কুমড়ী, দিঘলিয়া এলাকার পরিস্থিতি এখনো থমথমে। ওই এলাকায় এখনো পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশকে (৪৮) গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রকাশ্য দিবালোকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গুলি করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে দুবৃর্ত্তরা। নিহত পলাশ কুমড়ি গ্রামের মৃত গোলাম রসুল শেখের ছেলে। তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান রুনু শিকদার বলেন, ‘দিনদুপুরে একজন জনপ্রতিনিধিকে উপজেলা চত্বরে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় আমরা বিস্মিত। আমরা হতবাক। আমরা চাই এ হত্যার প্রকৃত রহস্য বের হোক, জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক।’
শুক্রবার বাদজুমা দিঘলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে পলাশকে গ্রামের বাড়ি কুমড়ী কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজা-পূর্ব সমাবেশে নিহতের সেজ ভাই শেখ মুক্ত রহমান বলেন, ‘আমার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা যদি ক্ষমতাসীন দলের হয়ে থাকে, তাহলেও তাদেরকে আইনের আওতায় আনুন।’
এ সময় লোহাগড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল হান্নান রুনু শিকদার উপস্থিত হাজারো জনতার সামনে বলেন, ‘অপরাধীরা যদি ক্ষমতসীন দলের সাথে সম্পৃক্ত থাকে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য দলের যা যা করণীয় লোহাগড়া তা করা হবে।’

আরও পড়ুন