মণিরামপুরে ফের ‘গায়েবি মামলা’, আটক ৫

আপডেট: 01:07:35 07/11/2018



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে জেলা বিএনপির সহসভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুছা, পৌর সভাপতি খাইরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আবদুল হাই, উপজেলা জামায়াতের আমির লিয়াকত আলী, কৃষকদল সভাপতি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, যুবদল সভাপতি আসাদুজ্জামান মিন্টুসহ বিএনপি-জামায়াতের ৪৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ ১২৪ জনের নামে ফের গায়েবি মামলা দিয়েছে পুলিশ। এই মামলায় চারজনকে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মণিরামপুর থানার এসআই আব্দুল জলিল বাদি হয়ে মঙ্গলবার মামলাটি দায়ের করেন। তবে এ মামলার আসামিদের মধ্যে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান মিন্টু বর্তমান ঢাকায় রয়েছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এসআই আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম সোমবার রাত নয়টার দিকে মণিরামপুরের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে তিনি গোপন সংবাদে জানতে পারেন, চালকিডাঙ্গা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বসে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনার জন্য বৈঠক করছিলেন। এ সময় তার নেতৃত্বে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে বিএনপি-জামায়াতের চার নেতাকর্মীকে আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিস্ফোরিত বোমার আলামত উদ্ধারের দাবি করেছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার চালকিডাঙ্গা গ্রামের রোস্তম আলীর ছেলে সবুজ হোসেন, শাহাজান কবিরের ছেলে মাহামুদুজ্জামান ফরহাদ, দেলুয়াবাটি গ্রামের মৃত আমিন গাজীর ছেলে মনিরুজ্জামান এবং দেবীদাসপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেরে ওমর ফারুক রনি।
ছাড়াও পুলিশ মঙ্গলবার দুপুরে পৌরশহরের তাহেরপুর মোড়ের নিজ দোকান থেকে আটক করে স্বেচ্ছাসেবকদলনেতা হাফিজুর রহমানকে।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচনের পর থেকে এ পর্যন্ত মণিরামপুরে বিএনপি-জামায়াতের প্রায় ১৫ হাজার নেতাকর্মীর নামে শতাধিক মামলা করেছে পুলিশ। তার ওপর আবার নতুন করে গায়েবি মামলা দেওয়া এবং পুলিশের সাড়াশি অভিযানের কারণে গ্রেফতার আতঙ্কে অধিকাংশ নেতাকর্মীরা এলাকাছাড়া হয়েছেন। অথচ বিরোধী জোটের সঙ্গে সংলাপে গায়েবি মামলা-গ্রেফতার হবে না বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।’

আরও পড়ুন