মণিরামপুরে এক বছর পর দেহাবশেষ উত্তোলন

আপডেট: 06:58:18 11/11/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : পরিবার থেকে হত্যার অভিযোগ আনায় যশোরের মণিরামপুরের এক গ্যারেজ মিস্ত্রির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তোলন করেছে পুলিশ।
মৃত্যুর এক বছর পর আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহম্মদ জামশেদুল আলম ও যশোর জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার শফিউল্লাহ সবুজের উপস্থিতে আজ রোববার বিকেলে নিহতের পারিবারিক কবরস্থান থেকে দেহাবশেষ উত্তোলন করা হয়।
মামুন হোসেন (১৭) মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ খালিয়া গ্রামের এরফান খাঁর ছেলে।
এরফান খাঁ সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘আমার ছেলে মামুন রাজগঞ্জ বাজারে শহিদুলরের সাথে যৌথ ব্যবসা করতো। ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর সকালে সে নিখোঁজ হয়। পরের দিন ১৪ অক্টোবর একই গ্রামের শরিফুল, ইউসুফ, জাকিরসহ কয়েকজন মিলে মামুনের লাশ বাড়িতে নিয়ে আসে। এসময় তারা জানায়, মামুন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। মামুনের মাথায় পেছনে আঘাতের চিহ্ন ছিল। বিষয়টি ভালোভাবে বুঝে উঠার আগেই তারা আমার ছেলের দাফন করে ফেলে। পরে জানতে পারি, আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার অভিযোগে মামলা করায় আদালতের নির্দেশে আজ বিকেলে মামুনের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।’
যশোর সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক মো. হারুন-অর রশিদ সুবর্ণভূমিকে বলেন, মামুনের বাবা এরফান খাঁ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একই গ্রামের শহিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, ইউসুফ, জাকির হোসেন ও আব্দুর রহামানের নামে হত্যা মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে মণিরামপুর থানায় মামলাটি এজাহারভুক্ত হয়। মামলা নম্বর-১৮। তারিখ ১৬.০৯.১৮। পরে আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নিয়ে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। আদালত গত ১০ অক্টোবর মামুনের লাশ উঠিয়ে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। এরপর আজ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহম্মদ জামশেদুল আলম ও যশোরে জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার শফিউল্লাহ সবুজের উপস্থিতে লাশ উত্তোলন করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসা হয়েছে। আগামীকাল ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের ডাক্তার শফিউল্লাহ সবুজ সুবর্ণভূমিকে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য শরীরের প্রয়োজনীয় অংশগুলো কবর থেকে তোলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে হত্যা না দুর্ঘটনা তা বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন