কুষ্টিয়ায় দুই খুনির ফাঁসি, আটজনের যাবজ্জীবন

আপডেট: 02:29:39 23/11/2017



img
img

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসসি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের মেধাবী ছাত্র তৌহিদুল ইসলাম লিপু অপহরণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড ও আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার বাকি চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল দেন আদালত।
আজ বুধবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক এবিএম মাহমুদুল হক জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে নয় আসামি উপস্থিত ছিলেন। একজন ফাঁসির আসামিসহ বাকিরা পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ৩১ আগস্ট বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে লিপুকে অপহরণ করা হয়। লিপুকে ফেরত দেওয়ার জন্য অপহরণকারীরা তার বাবা ওয়াহিদুল ইসলামের কাছে ফোনে তিন কোটি টাকা দাবি করেন। পরে লিপুর বাবা বাদী হয়ে ৪ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া সদর থানায় ছেলের বন্ধু ইমন, শুভ ও রাতুলকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ আসামিদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে লিপু অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করে জড়িত অন্যদের নাম প্রকাশ করে আদালতে জবানবন্দি দেন তারা। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে ১৮ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। বিচারে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় আদালত আজ মূল হোতা বাপ্পী ও সুমনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে সুমন পলাতক রয়েছেন।
বাকি আসামিদের মধ্যে আটজনকে যাবজ্জীবন ও একজনকে দশ বছর এবং তিনজনকে তিন বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। অন্য চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
কুষ্টিয়া আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট অনুপকুমার নন্দী জানান, ন্যায় বিচারের এ রায়ে রাষ্ট্র পক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন