পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চলছে তিন ডাক্তারে

আপডেট: 03:28:23 08/03/2018



img

এস এম আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা (খুলনা) : খুলনার পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৩ জন ডাক্তারের স্থলে মাত্র তিনজন ডাক্তার দিয়ে। ফলে গুরুতর চিকিৎসা সংকট দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছা উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে ১৯৯৭ সালে ৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম শুরু হয়। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে ৫০ শয্যায় উন্নীত হয় হাসপাতালটি। কিন্তু ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। উপজেলার প্রায় চার লাখ জনগোষ্ঠীসহ পাশের কয়েকটি উপজেলা থেকে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসেন রোগীরা। প্রতিদিন বহির্বিভাগে ২-৩শ রোগী চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। আন্তঃবিভাগে কখনো কখনো শতাধিক রোগী ছাড়িয়ে যায়। ভর্তি থাকেন ৭০-৮০ জন। এদের অনেকের ঠাঁই হয় বারান্দায়।
১৯৯৯ সালে পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অস্ত্রোপচার শুরু হয়। সেবার গুণগত মান উন্নত ও কয়েক বছর মাতৃত্ব সেবায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় ২০০৭ সালে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডিএসএফ কার্যক্রম চালু হয়। এক সময় গাইনি ওয়ার্ডে প্রায় সব সময় ২০-২৫ জন রোগী ভর্তি থাকতেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অ্যানেসথেসিস্ট না থাকায় অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রভাতকুমার দাশ অবসর গ্রহণ করেন এবং শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার মিঠুনকুমার দেবনাথ বদলি হওয়ায় ৫০ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছেন মাত্র তিনজন ডাক্তার। যার মধ্যে ডা. সুজনকুমার সরকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীরা চিকিৎসা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুজনকুমার সরকার বলেন, ‘যতদিন পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার না আসবে ততদিন পর্যন্ত পাইকগাছাবাসীকে কিছুটা চিকিৎসা ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাতে হবে।’

আরও পড়ুন