বেনাপোলে পণ্যবোঝাই ভারতীয় দুটি ট্রাক জব্দ

আপডেট: 02:58:00 06/11/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ইমিটেশন জুয়েলারি পণ্য আমদানি করা হয়েছে- এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পণ্যবোঝাই দুটি ভারতীয় ট্রাক আটক করেছে বেনাপোল কাস্টমসের ইনভেস্টিগেশন রিসার্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট গ্রুপের (আইআরএম) একটি প্রতিনিধি দল।
রোববার দিনগত মধ্যরাতে প্রতিনিধি দলটি অভিযান চালিয়ে বেনাপোল বন্দরের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে ট্রাক দুটি আটক করে। এ সময় জব্দ করা হয়েছে ওই ট্রাক দুটির চাবিসহ সব কাগজপত্র।
বেনাপোল কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, আটক করা পণ্য চালানটির আমদানিকারক ঢাকার ‘আনাস এন্টারপ্রাইজ’। পণ্য চালানটির রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারতের জেইন এক্সপোর্ট। রোববার রাতে পণ্য চালানটি ভারতের পেট্রাপোল বন্দর থেকে বেনাপোলে প্রবেশ করে। যার কাস্টমস মেনিফেস্ট নম্বর-৩৯৯৬১/২। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পণ্যটি আমদানি করার জন্য গত ১ নভেম্বর ঢাকার মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড থেকে একটি এলসি খোলেন। যার এলসি নম্বর-০০০০৩২৫২১৮০১০৩৪০। পণ্য চালানটির আমদানি মূল্য দেখানো হয়েছে ২৬ হাজার ১৬২ মার্কিন ডলার; যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। পণ্য চালানটিতে আমদানিকৃত পণ্যের ঘোষণায় আছে ‘প্লাস্টিক বাংলা অ্যান্ড আদার্স’।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের আইআরএম প্রতিনিধি দল আটক দুটি ট্রাকের পণ্য পরীক্ষণ করবেন। তারা পণ্য চালানটির মালামাল ঘোষণার সঙ্গে মিল আছে কিনা তা দেখবেন।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা পণ্যবোঝাই দুটি ভারতীয় ট্রাক আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোপন সূত্রে সংবাদে জানা যায়, একজন আমদানিকারক ভারত থেকে মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে পণ্য চালান বেনাপোল বন্দরে নিয়ে আসছেন। এমন সংবাদে রোববার রাতে আইআরএম টিমের প্রতিনিধি সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোস্তফা আব্দুল্লাহ আল মামুনকে নিয়ে বন্দরের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে পণ্যবোঝাই দুটি ভারতীয় ট্রাক (যার নম্বর-ডাব্লিউবি-৫১-৭০৮৬ ও ডাব্লিউবি-২৫বি-২৩৭৬) আটক করে বেনাপোল কাস্টম হাউসে নিয়ে আসা হয়। মালামাল শতভাগ পরীক্ষণ করা হবে। মিথ্যা ঘোষণা ও অমিল পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‘আটক ট্রাক দুটির চালক দুলাল দাস এবং তপনকুমার প্রাথমিকভাবে জানান, তাদের গাড়িতে ইমিটেশন জুয়েলারি জাতীয় পণ্য আছে। পণ্যের আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে এখানো পাওয়া যায়নি,’ বলেন কাস্টমস কর্মকর্তা উত্তম চাকমা।