তিয়ানসির দুই কর্মকর্তার নামে মামলা

আপডেট: 09:29:34 18/10/2017



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় বিপুল টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে যশোরে আটক তিয়ানসি বাংলাদেশ কোম্পানির দুই কর্তকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় মামলা হয়েছে।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার হাজরাহাটি গ্রামের আরিফুল গাজী মঙ্গলবার রাতে মামলাটি করেন। এর আগে ওই দিনই তিয়ানসির দুই কর্মকর্তাকে আটক করা হয়
আসামিরা হলেন, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামের জালাল শেখের ছেলে সোহেল রানা, মহেশপুর উপজেলার গোয়ালদহ গ্রামের মৃত জব্বারের ছেলে মিজানুর রহমান, যশোর শহরের শংকরপুর বাসটারমিনাল এলাকার ডাক্তার আব্দুল হালিম এবং  লোন অফিসপাড়ার বদরুল আলম।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা প্রতারক। মোটা লভ্যাংশের প্রলোভন দেখিয়ে তারা তিয়ানশির প্রোডাক্ট বিক্রি এবং টাকা ইনভেস্ট করার কথা প্রস্তাব দেন। বাদী তাদের প্রলোভনে পড়ে বিভিন্ন লোকজনকে ‘ম্যানেজ’ করেন। তিনি ৩-৪ মাস আগে অসুস্থ হলে ডাক্তার হালিমের শরণাপন্ন হন। ওই ডাক্তার তার বাড়িতে গিয়ে বলেন, ‘বিদেশে যাওয়া লাগবে না। তাদের পণ্য (ওষুধ) সেবন করলে ভালো হয়ে যাবেন।’ একই সঙ্গে তাদের কোম্পনিতে টাকা বিনিয়োগ করলে অনেক লাভবান হওয়া যাবে। প্রলোভনে পড়ে তিনি যশোর শহরের ঘোপ জেল রোড হাফিজুর রহমানের বাড়ির তৃতীয় তলায় অবস্থিত তিয়ানসি অফিসে যান এবং দেড় লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। তাকে একটি ব্রেসলেট, একটি থেরাপি মেশিন, একটি ডিস্ট্রিবিউটার কার্ড এবং কিছু ক্যালমিয়াম জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। তার মতো ২১৬ জনকে ওই অফিসে নিযুক্ত করেন কথিত কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে চারজনকে অফিসের স্টাফ করে নেন কর্মকর্তারা। কিন্তু পরে দেখা গেছে ওই কোম্পানি থেকে বাতিল মালামাল দেওয়া হচ্ছে।
‘সবকিছু বুঝে আমি কাজ করতে অস্বীকৃতি জানাই এবং তার টাকা ফেরত চাই। আসামিরা আমাকে টাকা ফেরত না দিয়ে দিনের পর দিন ঘোরাতে থাকে। এবং নানা তালবাহানা করে। শেষে তাকে টাকা দেবে না বলে হুমকিও দেয়। আমার জানা মতে, মোট ৭৩ ব্যক্তি ওই কোম্পানিতে ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। ওই সব টাকা কোম্পানির লোকেরা আত্মসাৎ করেছে,’ অভিযোগ বাদী আরিফুল গাজীর।
মামলার আসামি সোহেল রানা এবং মিজানুর রহমান মঙ্গলবারই আটক হন। অন্য দুই আসামিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

আরও পড়ুন