চৌগাছার দুর্ধর্ষ শামিমের অস্ত্র আইনে কারাদণ্ড

আপডেট: 06:29:13 20/09/2017



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরের চৌগাছা থানায় অস্ত্র আইনে দায়ের করা একটি মামলায় শামিম কবির নামে এক ব্যক্তিকে ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। শামিম উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের শামসুল হক মাস্টারের ছেলে।
সরকারি দলের একাংশের আশ্রয়ে থাকা শামিম চৌগাছা এলাকায় ‘দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত। বহু দিন ধরে শামিম ভারতে পলাতক রয়েছেন বলে এলাকাবাসী জানান।
বুধবার এক রায়ে স্পেশাল জজ (জেলা জজ) ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিতাইচন্দ্র সাহা শামিমকে এই সাজা দিয়েছেন। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন স্পেশাল পিপি এসএম বদরুজ্জামান পলাশ।
মামলার এজাহারে বলা হয়, র‌্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে উপজেলার বেড় গোবিন্দপুর বাঁওড় এলাকা থেকে শামিমকে আটক করেন। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জামতলার ডাইনের বিলের মিজানের অফিস রুম থেকে দুটি শাটারগান ও তিন রাউন্ড রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে র‌্যাব অস্ত্র আইনে চৌগাছা থানায় একটি মামলা করে।
এই মামলা তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর শামিমকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি শামীমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অস্ত্র রাখার দায়ে দশ বছর এবং গুলি রাখার দায়ে তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদ-াদেশ দেন আদালত। সাজা একই সঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন বিচারক।
পুলিশ বলছে, সাজাপ্রাপ্ত শামিম পলাতক।
পুলিশের দেওয়া এই তথ্য এলাকাবাসীও নিশ্চিত করেছেন। সরকারি দল আশ্রিত সন্ত্রাসীদের পারস্পরিক হানাহানির কারণে শামিম দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি ভারতে অবস্থান করে চৌগাছা এলাকায় নিজ সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে খুন-খারাবি, অস্ত্রবাজি, চাঁদাবাজিরও অনেক মামলা ও অভিযোগ আছে পুলিশের খাতায়।

আরও পড়ুন