বিএনপির মিছিলে পুলিশের গুলি লাঠিচার্জ

আপডেট: 02:19:48 20/02/2018



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ফরিদপুরে দলটির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ গুলিবর্ষণ ও লাঠিপেটা করেছে। এ ঘটনায় শতাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। আটক করা হয়েছে ১৪-১৫ জনকে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুর শহরের সুপার মার্কেট চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।
বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদ ফরিদপুর প্রেসক্লাবে তাৎক্ষণিক প্রেস ব্রিফিং করেন। তিনি পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি  জানান।
শামা ওবায়েদ জানান, বেলা ১১টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফরিদপুর সুপার মার্কেটের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ফরিদপুর প্রেসক্লাবে যাওয়ার সময় পুলিশ ব্যাপক লাঠিপেটা শুরু করে। এ সময় তাদের লাঠিচার্জ ও গুলিতে দলের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘নেতাকর্মীরা আমাকে কোনোমতে রক্ষা করে পাশে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।’
বিএনপি জানায়, বিক্ষোভ মিছিল থেকে ১৪-১৫ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ফরিদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোদারেছ আলী ইছা, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের  আহ্বায়ক সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রওফুন নবী, লস্করদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা বাবুল তালুকদার মিঠু, মাহফুজুর রহমান, লিটন বিশ্বাস, শেখ সুলতান মাসুদ, ইয়াকুব শেখ।
শামা ওবায়েদ আরো বলেন, ‘আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে এমনভাবে নগ্ন লাঠিচার্জ করবে, এটা কোনোভাবেই ভাবতে পারি নাই।’
তিনি আরো বলেন, সরকার বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে ভয় পায় বলে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিচ্ছে ফরিদপুরসহ সারা বাংলাদেশে।
পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের হামলায় সাংবাদিক নির্মলেন্দু চক্রবর্তী ও হারুন আনসারী আহত হন। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হারুন আনসারীকে ভর্তি করা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজিম উদ্দিন জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এরপর পুলিশ চারটি গুলি ছোড়ে।
এদিকে, জেলা বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহুরুল হক শাহাজাদা মিয়া এ ঘটনার নিন্দা জানান। তার নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়।
সূত্র : এনটিভি