মাগুরায় মণ্ডপে মণ্ডপে শেষ সময়ের প্রস্তুতি

আপডেট: 06:41:16 25/09/2017



img
img

মাগুরা প্রতিনিধি : বাঙালি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। চণ্ডীপূজা, বোধনের মাধ্যমে শিবের আরাধনা ও ষষ্ঠিপূজার মধ্যে দিয়ে রাত পোহালেই মর্তলোকে আগমন ঘটবে দেবী দুর্গার। যে কারণে প্রতিমাশিল্পীরা এখন শেষ মুহূর্তের রঙ-তুলির আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
মাগুরা নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রম, ছানাবাবুর বটতলা, বাটিকাডাঙ্গা সর্বজননী দুর্গাপূজা মণ্ডপ, সাতদোহা দুর্গামণ্ডপ, তাঁতিপাড়া দুর্গামণ্ডপসহ বেশ কিছু মণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, সবখানে প্রতিমাশিল্পীরা শেষ সময়ে রঙ-তুলি ও সাজ-সজ্জার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।
ছানা বাবুর বটতলায় প্রতিমাশিল্পী সুবোধকুমার বিশ্বাস জানান, তিনি ৪২ বছর ধরে প্রতিমা তৈরি করছেন। এবার তিনি ৩৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা মজুরিতে পাঁচটি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরি করছেন। এ কাজে তার সঙ্গে সাতজন সহকর্মী রয়েছেন। শেষ সময়ে এসে রাত-দিন ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে। ছুটছেন এক মণ্ডপ থেকে অন্য মণ্ডপে।
নিতাই গৌর গোপাল সেবাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ চিন্ময়ানন্দ মহারাজ চঞ্চল বলেন, ‘অন্য বছরের চেয়ে এ বছর তারা বেশি টাকা খরচ করে প্রতিমা তৈরি করেছেন। আলোকসজ্জাসহ গোটা পূজার আয়োজনে বাজেটও অনেক বেশি।’
তিনি বলেন, ‘এবার নৌকায় করে মা দুর্গার মর্তে আগমন ঘটবে। যাবেন দোলায় চড়ে।’
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট প্রদ্যুৎকুমার সিংহ বলেন, ‘এবার মাগুরা জেলায় ৬২৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিটি পূজা কমিটিকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
মাগুরার পুলিশ সুপার মুনিবুর রহমান বলেন, ‘পূজার নিরাপত্তার পুলিশ, আনসার, স্বেচ্ছাসেবকের পাশপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। বিশেষ করে পূজা চলাকালে মাদকসেবী ও ইভটিজার নিয়ন্ত্রণে পুলিশের একাধিক বিশেষ টিম কাজ করবে।’