‘ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে’ বাবা-মেয়েকে মারপিট

আপডেট: 12:40:30 20/03/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : দুই সন্তানের এক জননীকে ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে শারীরিক নির্যাতন করে টাকা ও সোনার গয়না লুটপাট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহীদ (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অপকর্মে বাধা দিতে এগিয়ে গেলে ওই গৃহবধূর বৃদ্ধ বাবা হানেফ কাজীকেও মারপিট করে ওই দুর্বৃত্তরা।
আক্রান্ত গৃহবধূ বেনাপোল পোর্ট থানার দিঘিরপাড় গ্রামের হানেফ কাজীর মেয়ে। হানেফ কাজী মুক্তিযোদ্ধা বলে তার মেয়ে জানান। অভিযুক্ত শহিদ বেনাপোল পোর্ট থানার কাগমারি গ্রামের শওকাত হোসেনের ছেলে। এলাকায় তার মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে কুখ্যাতি রয়েছে।
গৃহবধূ জানান, রোববার বিকেলে তার বাসায় বৃদ্ধ বাবা ছাড়া অন্য কেউ ছিলেন না। তার স্বামী একটি মামলায় যশোর জেলখানায় রয়েছেন। এ সুযোগে কাগমারি গ্রামের একাধিক মামলার আসামি শহীদ ও তার সহযোগী একই গ্রামের বাবলুর ছেলে মানিক ও বাবর আলীর ছেলে রনি এসে তাকে কুপ্রস্তাব দেয়। রাজি না হওয়ায় তাকে জোর করে ধরে মুখে কামড় দিয়ে ক্ষত বিক্ষত করে দেয় শহীদ। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে লম্পট দুর্বৃত্তরা তার মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে, পিঠে লাঠি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে মেঝেতে ফেলে দেয়। এ সময় বৃদ্ধ বাবা ঠেকাতে এলে তার পেটেও আঘাত করে দুর্বৃত্তরা। চিৎকার শুনে আশেপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করে আহত বাবা-মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে আইনের আশ্রয়ে যাবেন বলে জানান আক্রান্ত গৃহবধূ।
আহত হানেফ কাজী দাবি করেন, শহীদের কোমরে পিস্তল ছিল। আর অন্য দুইজনের হাতে হাতুড়ি ও লোহার রড ছিল। দুর্বৃত্তরা তার ওয়াড্রপ ভেঙে ৪১ হাজার টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে গেছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) ফিরোজ উদ্দিন বলেন, ‘শহীদ একাধিক মামলার আসামি। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। গৃহবধূ ও তার বাবাকে মারপিটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন