শার্শা বিএনপির ৩৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট: 01:53:54 16/10/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : ডিবি পুলিশ যশোরের শার্শা উপজেলা বিএনপির ১২ নেতাকর্মীকে আটক করেছে। তাদের কাছ থেকে ১৫টি হাতবোমা উদ্ধারের দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জনের নামে নাশকতার মামলা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, বেনাপোলের ৪৪০ নম্বর বাড়ির মৃত বক্ত জামানের ছেলে ওহিদুল ইসলাম খোকন, শার্শা উপজেলার বাগুড়ি গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে সাগর হোসেন, কাঠুরিয়া গ্রামের মৃত বাহার আলী মণ্ডলের ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে ফজের আলী, গাতীপাড়া আমতলা এলাকার মৃত আব্দুল জলিল মণ্ডলের ছেলে আতিয়ার রহমান, বনমান্দার গোড়পাড়া গ্রামের মৃত আবুল হাশেম সরদারের ছেলে গোলাম মোস্তফা, উলশী পূর্বপাড়ার মৃত জাবি উল্লাহর ছেলে ইসমাইল হোসেন, বড়বাড়িয়া গ্রামের আইয়ুব হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন আশা, নাভারন রেলবাজার এলাকার শেখ আবুল কাশেমের ছেলে আনোয়ার হোসেন বাবু, দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের বাসিন্দা বর্তমান নাভারন রেলবাজার এলাকার জিনাতুল্লাহর ছেলে রুহুল আমিন, একই গ্রামের রাশেদ আলী ডাক্তারের ছেলে হাবিবুর রহমান হাবিব, পাড়িয়ার ঘোপ গ্রামের তবিবর রহমানের ছেলে আবু জাফর, রাড়িপুকুর গ্রামের মৃত আজগর আলী গাজীর ছেলে শামছুর রহমান।
আর এজাহারে বর্ণিত পলাতক আসামিরা হলেন, বেনাপোল পোর্ট থানার নমাজ গ্রামের ইব্রাহিম মোড়লের ছেলে ইয়াব আলী, বেনাপোল কলেজপাড়ার আব্দুল গফুরের ছেলে মোহাম্মদ আলী, পুটখালী গ্রামের গুলজারের ছেলে লিয়াকত আলী, দক্ষিণ বারপোতা গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে কাউছার আলী, নেছার আলীর ছেলে রওশন আলী, বারপোতা কদমতলা এলাকার ছাফেত আলী ছেলে গফফার আলী, নমাজ গ্রামের তক্কেল মোড়লের ছেলে আব্দুল মজিদ (সাবেক মেম্বার), লুৎফর রহমানের ছেলে মোহাম্মদ হাবু, শার্শার শ্যামলাগাছী গ্রামের আব্দুল মুজিদের ছেলে মোস্তফা কামাল মিন্টু, দক্ষিণ বুরুজবাগান এলাকার মৃত লতিফ বিশ্বাসের ছেলে আব্দুল হাই বিশ্বাস, কালিয়ানী গ্রামের করিম বক্সের ছেলে আব্দুল হামিদ সরদার, মহিষা গ্রামের মৃত জুম্মান আলীর ছেলে মাওলানা কাছেদ আলী, দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে মোকলেছুর রহমান, খাজুরা গ্রামের শাহাজান আলীর ছেলে রুহুল আমীন, বাগআঁচড়ার তিন নম্বর ওয়ার্ড এলাকার লুৎফর রহমানের ছেলে জামাল হোসেন, লাউতাড়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে আব্দুল হামিদ, মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে জহর আলী, রামপুর গ্রামের মহর আলীর ছেলে তবিবর রহমান, কন্যাদহ গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান মিজান, ধলদাহ গ্রামের মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে রাজ্জাক, মহিষাকুড়া গ্রামের রাহাজ্জানের ছেলে বাবলু, বেনাপোল পোর্ট থানার ভবারবেড় গ্রামের মৃত হবিবর রহমানের ছেলে মাসুদুর রহমান মিলন (মিলন চেয়ারম্যান), বেনাপোল বলফিল্ড এলাকার তমজেদ উদ্দিনের ছেলে নাজিম উদ্দিন, এবং বড়আঁচড়া গ্রামের নুর আলীর ছেলে আবু তাহের ভারত।
ডিবি পুলিশের এসআই খায়রুল আলম শার্শা থানায় দায়ের করা এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত সোমবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে যশোর-বেনাপোল সড়কের যাদবপুর গ্রামে ‘মীম ফিলিং স্টেশনের’ পশ্চিমপাশে আসামিরা নাশকতা করার জন্য জড়ো হন। গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে ডিবি পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করে। বাকিরা পুলিশ দেখে পালিয়ে যায়। পরে তাদের দেখানো মতে ঘটনাস্থল থেকে ১৫টি তাজা হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। আর আটক আসামিদের কাছ থেকে পলাতক আসামিদের নাম পরিচয় জানা যায়।
আটক ব্যক্তিদের সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিবি পুলিশের ওসি মনিরুজ্জামান মনির।

আরও পড়ুন