খুলনায় ভেজাল মিশ্রিত চার হাজার বস্তা সার জব্দ

আপডেট: 02:44:04 15/03/2018



img
img

খুলনা অফিস : খুলনায় মানসম্মত ডায় অ্যামোনিয়াম ফসফেট- ডিএপি সারের সঙ্গে নিম্নমানের ব্যবহার অনুপোযোগী সার মেশানোর অভিযোগে ‘সাউথ ডেল্টা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের চার হাজার বস্তা সার (২০০ মেট্রিক টন) জব্দ করা হয়েছে; যার আনুমানিক বাজারদর প্রায় ৪০ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়। অনাদায়ে স্থানীয় সুপারভাইজারকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরীর সাত নম্বর ঘাট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরাফাতুল আলম ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন। উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মো. হাসান ওয়ারিসুল কবির এবং বিএডিসির যুগ্ম-পরিচালক (সার) প্রশান্তকুমার সাহা। ডিএডি লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে র‌্যাব-৬ এর একটি দল অভিযানে সহায়তা করে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সাত নম্বর ঘাট এলাকায় এজেন্ট প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাউথ ডেল্টার শ্রমিকরা কার্গোর মধ্যে সদ্য আমদানি করা মানসম্মত সারের সঙ্গে দীর্ঘদিন আগে আমদানি করা জমাটবাঁধা ব্যবহার অনুপোযোগী নিম্নমানের ভেজা সার মেশাচ্ছিলেন। র‌্যাবের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে হাতে-নাতে প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় সুপারভাইজার মো. শহীদুল ইসলাম ওরফে মাটিকে আটক করেন আদালত। তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে, প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তখনই জরিমানার টাকা পরিশোধ করলে মাটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তিনটি কার্গোতে থাকা ভেজাল মেশানো চার হাজার বস্তা সার জব্দ ও গুদাম সিলগালা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরাফাতুল আলম বলেন, ‘সাউথ ডেল্টার শ্রমিকরা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করে মানসম্পন্ন সারের সঙ্গে নিম্নমানের সার মেশাচ্ছিল। এ অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দ করা সার পরীক্ষার জন্য নগরীর দৌলতপুরে মৃত্তিকা গবেষণা ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এ ধরনের ভেজাল মিশ্রিত সার ব্যবহার করে চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে অভিমত দেন ম্যাজিস্ট্রেট।

আরও পড়ুন