যশোরের ছয়টি আসনে নৌকা চান ৭২ জন

আপডেট: 04:30:35 13/11/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক চান ৭২ জন।
এর মধ্যে মনোয়ননের জন্য সব চেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসন থেকে। এই আসন থেকে নির্বাচন করতে চান ১৯ নেতা। আর সবচেয়ে কম মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে যশোর-৩ (সদর) আসন থেকে। এই আসনে নৌকা নিয়ে নির্বাচন করতে চান ছয়জন। যশোরের ছয়টি আসনের বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান, শিল্পপতি, সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সরকারি আমলাও রয়েছেন মনোনয়নের আবেদন জমা দেওয়ার তালিকায়।
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসব মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। গত ৯ নভেম্বর শুক্রবার থেকে ১২ নভেম্বর সোমবার পর্যন্ত এই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা নেওয়ার কার্যক্রম চলে। 
যশোর-১ (শার্শা) আসন থেকে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন সাতজন। তারা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক আব্দুল মামুদ, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক মুজিবুদ্দৌলা কনক, শার্শার সবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মিন্নু, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী একেএম আখতারুল কবীর এবং শাহজাহান গোলদার।
যশোর-২ (ঝিকগাছা-চৌগাছা) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৫ জন। নৌকা প্রতীকের দাবিদাররা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী রায়হান, চৌগাছা উপজেলা সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) নাসিরউদ্দিন, ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা আনোয়ার পাশা, ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা ফারুকের স্ত্রী মমতাজ ফারুক, মোস্তফা শরীফ মোহাম্মদ, সাইদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাজহারুল ইসলাম প্রিন্স, যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট এবিএম আহসানুল হক আহসান, জেলা যুবমহিলালীগের সভাপতি মঞ্জুন্নাহার নাজনীন সোনালি এবং অধ্যক্ষ হারুন-অর-রশীদ।
যশোর-৩ (সদর) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ছয়জন। এদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার, সাবেক সংসদ সদস্য খালেদুর রহমান টিটো, অ্যাডভোকেট রবিউল হক সুজা, এহতেশাম ফিরোজ আলম ও সাইফউদ্দিন সাইফ।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৯ জন। এরা হলেন, বর্তমান সংসদ সদস্য রনজিৎকুমার রায়, সাবেক হুইপ শেখ আব্দুল ওহাব, অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এনামুল হক বাবুল, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাজমুল ইসলাম কাজল, কৃষকলীগ নেতা আমজাদ হোসেন, সরদার ওলিয়ার রহমান, ফরিদ জাহাঙ্গীর, সোলাইমান হোসেন, আলমগীর হাসান রাজিব, রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুর রশিদ স্বপন, জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সজীব ইফতেখার, বিভাষচন্দ্র বিশ্বাস, এসএম জাকির, আব্দুল কবির খান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহিতকুমার নাথ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরজাহান ইসলাম নিরা, জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান লাইজু জামান, রকিবুল আনোয়ার ও নওয়াপাড়া পৌরসভার কাউন্সিলর রবিন অধিকারী ব্যাচা।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনের মনোনয়ন চান ১৪ জন। তারা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট পীযুষকান্তি ভট্টাচার্য, তার ভাই বর্তমান সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য্য, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ, সদস্য জয়দেব নন্দী, জেলা যুবলীগ সভাপতি মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু, সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতানের স্ত্রী ডা. জেসমিন আরা বেগম, সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান বারী, মুক্তিযোদ্ধা এস এম ইউনুস আকবর, মাহফুজা আক্তার পলি, নিতাইকুমার বৈরাগী এবং ব্যবসায়ী এসএম ইয়াকুব আলী।
যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন ১১ জন। তারা হলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম রুহুল আমিন, সহ-সভাপতি এইচএম আমির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ, জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কাজী রফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, ডা. তাপসকুমার দাস, শিল্পপতি শেখ আব্দুর রফিক, আব্দুল মান্নান এবং এসএম এবাদত সিদ্দিক বিপুল।

আরও পড়ুন