খুলনা গাজীপুরে প্রচারের সুযোগ পাচ্ছেন না এমপিরা

আপডেট: 02:15:40 24/04/2018



img

মঈনুল হক চৌধুরী : ক্ষমতাসীন দলের প্রস্তাব এলেও আচরণবিধি সংশোধন না হওয়ায় সংসদ সদস্যরা গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না।
আগামী ১৫ অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর আগের দিন সোমবার গাজীপুর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিবউদ্দিন মণ্ডল এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, “মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দের পরই বিদ্যমান বিধিতেই প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে মন্ত্রী-এমপিসহ সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই।”
ইসি কর্মকর্তারা জানান, আচরণ বিধিমালা সংশোধনের বিষয়ে কমিশন সভায় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এ নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটিকে আচরণ বিধিমালা পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
যেহেতু আচরণ বিধিমালা সংশোধন হয়নি, তাই মন্ত্রী বা এমপিরা প্রচার চালাতে পারবেন না বলে ইসি কর্মকর্তারা জানান।
গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন সোমবার বিকেলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছেন দুই রিটার্নিং কর্মকর্তা।
মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে দলীয় মেয়র প্রার্থীরা নিজ দলীয় প্রতীক আর স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী, সাধারণ কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার বরাদ্দ দেওয়া প্রতীকে প্রচার চালাবেন।
ইসির কর্মকর্তারা জানান, দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন করছে কি না তা দেখতে নির্বাহী হাকিম মাঠে থাকছেন। বিধিমালা লংঘনে ছয় মাসের জেল বা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দিতে পারবেন তারা। আর রাজনৈতিক দল বিধি লংঘন করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
আচরণ বিধিমালা লংঘনের দায়ে প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও রয়েছে ইসির।
গাজীপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, “সার্কিট হাউজ, ডাক বাংলোসহ সরকারি স্থাপনা প্রচার কাজে ব্যবহার করা যাবে না। পথসভা বা ঘরোয়া সভা ছাড়া কোনো জনসভা বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। পোস্টার ও লিফলেট নির্দিষ্ট আকারের হতে হবে। নির্বাচনী এলাকায় মিছিল বা শোডাউন করা যাবে না।”
সূত্র : বিডিনিউজ

আরও পড়ুন