যশোরে কারখানা হাসপাতাল হোটেল মালিককে দণ্ড

আপডেট: 08:02:30 22/02/2018



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে ভেজাল লুব্রিকেন্ট তৈরি করে তা বাজারজাত করার অপরাধে সেলিম (২৮) নামে এক কারবারিকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাজিব হাসান বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার বসুন্দিয়া জামতলা বাজারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত ওই কারখানাটিতে অভিযান চালান।
এর পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা দুটি প্রতিষ্ঠানকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন শহরের শংকরপুরের জিডিএল হসপিটাল অ্যান্ড ডায়গোনস্টিক সেন্টার ও শহরের নেতাজী সুভাষচন্দ্র সড়কের ‘আল্লহার দান হোটেল’।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার মো. জালাল উদ্দিন সুবর্ণভূমিকে জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত বসুন্দিয়ায় সেলিম নামে এক ব্যক্তি ভেজাল লুব্রিকেন্ট তৈরি করে তা বাজারজাত করেন। এই অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাজিব হাসান ২০০৯ সালের জাতীয় ভোক্তা অধিকার আইনের ৫২ ধারায় সেলিমকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন।
এদিকে, ভ্রাম্যমাণ আদালত পৃথক অভিযানে দেখতে পান, শহরের শংকরপুর জিডিএল হসপিটাল ও ডায়গনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতাল দশ শয্যাবিশিষ্ট। সেখানে কোনো সর্বক্ষণিক ডাক্তার নেই। এবং প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টগুলো ডাক্তার দিয়ে না করিয়ে সাধারণ কর্মচারী দিয়ে করানো হয়। এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকা প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মো. নুর আলমকে ২০০৯ সালের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৫২ ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।
অন্যদিকে, শহরের নেতাজী সুভাষচন্দ্র সড়কে আল্লাহর দান হোটেলে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখতে পান আদালত। সেখানে পচা ও বাসি খাবার বাজারজাত করা হচ্ছিল। এই অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা হোটেলের মালিক হাফিজুর রহমানকে ২০০৯ সালের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৩ ধারায় তিন হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।