পুলিশ হেফাজতে থাকা যুবকের গলায় পোঁচ

আপডেট: 02:27:13 13/11/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : স্ত্রী অপহরণ মামলায় অভিযুক্ত রমেশ দাস (৩৫) নামে এক যুবক পুলিশের উপস্থিতিতে গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।
ঘটনাটি সোমবার সন্ধ্যায় যশোর শহরের ষষ্ঠিতলাপাড়া পিটিআই রোডে তার বাসার রান্নাঘরে ঘটে। পুলিশ দ্রুত তাকে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বলছেন, ২৪ ঘণ্টা পার না হলে রমেশের অবস্থা সম্বন্ধে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না।
আত্মহত্যা চেষ্টাকারী রমেশের সঙ্গে চলতি বছর বিয়ে হয় মণিরামপুর উপজেলার খানপুর গ্রামের তাপস দাসের কলেজপড়ুয়া মেয়ে তিথী দাসের।
তাপস দাস এ সুবর্ণভূমিকে বলেন, ‘গত ২ আগস্ট তার মেয়ে কলেজে যাওয়ার জন্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়টি নিয়ে জামাই রমেশ বিভিন্ন সময় নানা ধরনের কথা বলতো। অবশেষে গত ১১ অক্টোবর আমি মণিরামপুর থানায় একটি মামলা (নম্বর-১৩) করি। মামলার তদন্তভার পান এসআই প্রশান্ত দাস।’
এসআই প্রশান্ত দাস বলেন, ‘তিথী দাসের নিখোঁজ রহস্য উন্মোচনে যশোরের ডিবি পুলিশ কাজ করছে। আমরা জানতে পারি, তিথীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সিমটি তার স্বামী রমেশের সেল ফোনে ব্যবহৃত হয়েছে। বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য আজ তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রমেশ জানায়, সিমটি তার শহরের ষষ্ঠিতলাপাড়ার ভাড়া বাসায় রয়েছে। পুলিশ সিমটি উদ্ধারে তাকে নিয়ে বাসায় যায়। প্রথমে সে সিমটি ঘরে এবং পরে তা রান্নাঘরে রয়েছে বলে জানায়। রান্নাঘরে ঢুকেই সে সেখানে থাকা ছুরি দিয়ে গলায় পোঁচ দেয়। এতে তার গলার কিছু অংশ কেটে যায়। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।’
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার আব্দুর রশিদ সুবর্ণভূমিকে জানান, ধারাল অস্ত্রের পোঁচে রমেশের শ্বাসনালি কেটেছে। ২৪ ঘণ্টা পার না হওয়া পর্যন্ত তার অবস্থা সম্বন্ধে কিছুই বলা যাচ্ছে না।
আত্মহত্যা চেষ্টাকারী যুবক রমেশ দাস শহরের ষষ্ঠিতলাপাড়া পিটিআই রোডের রণজিৎ দাসের ছেলে। তিনি পুলিশকে কখনো পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ম্যানেজার, কখনো এনজিওর পরিচালক আবার কখনো আমদানি-রপ্তানিকারক বলে পরিচয় দেন।

আরও পড়ুন