ভেজাল মাখনে খাদ্যসামগ্রী, ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট: 07:31:14 08/03/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে ভ্রাম্যমাণ আদালত একটি নকল মাখন কারখানা সিলগালা ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাজিব হাসান ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেএম আবু নওশাদ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের বি কে রোডে এমএসটিপি বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে জনৈক উজ্জ্বল ঘোষের বসতঘরে ও শহরের নাজির শংকরপুর লাকি ফুড বেকারির কারখানায় এই অভিযান চালান।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার জালাল উদ্দিন সুবর্ণভূমিকে জানান, আদালতের কাছে গোপন খবর ছিল, বি কে রোডে লিয়াকতের বাড়ির তৃতীয় তলায় উজ্জ্বল ঘোষ নামে এক ব্যক্তি নকল মাখন তৈরি করে বাজারজাত করছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাজিব হাসানের নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে উজ্জ্বল ঘরে তালা মেয়ে পালিয়ে যান। এসময় ওই বাড়ির মালিক লিয়াকত হোসেনকে ডেকে আনা হয়। মালিককে দিয়ে উজ্জ্বলের বসতঘরের তালা ভাঙা হয়। ঘরে ঢুকে আদালত দেখনতে পান, সেখানে নকল মাখন তৈরির মেশিন এবং বিপুল পরিমাণ নকল মাখন মজুদ রয়েছে। আদালত ওই নকল মাখনের সিজার লিস্ট তৈরি করে ঘরে তালা মেরে সিলগালা করে দেন।
পাশের বাড়িতে হরিদাস বৈদ্যের ছেলে গৌরদাস বৈদ্যও একই কাজ করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাজির হাসান গৌরকে ২০০৯ সালের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৩ ধারায় পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন। একই সঙ্গে সেখানে পাওয়া নকল মাখন ধ্বংস করে দেন।
এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত নাজির শংকরপুর লাকি ফুড বেকারির কারখানায় অভিযান চালিয়ে দেখতে পান, সেখানে নকল মাখন দিয়ে নানা খাদ্যসামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। এই অপরাধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেএম আবু নওশাদ প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার তানভির হোসেনকে ২০০৯ সালের জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৩ ধারায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করেন।
অভিযানকালে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ, যশোর জেলা স্যানিটারি ইনসপেক্টর শিশিরকান্তি পাল ও পুলিশ সদস্যরা ছিলেন।

আরও পড়ুন