পয়লা বৈশাখে উন্মুক্ত গাংরখী নদী

আপডেট: 07:55:28 12/12/2017



img

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : পাইকগাছা-কয়রা দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী শালিকখালী (গাংরখী) নদী নতুন বছরের প্রথম থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মো. নূরুল হক।
তিনি মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ কুমখালী বি বি বালিকা বিদ্যালয় মাঠে গড়ইখালী ও মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নবাসীর গাংরখী নদী উন্মুক্ত করার দাবিতে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন।
এ সময় নূরুল হক বলেন, ‘এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল গাংরখী নদী বছরের পর বছর ইজারা নিয়ে অবৈধ নেট-পাটা দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। ইজারাদার ও তার লোকজনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে দুই উপজেলার সাধারণ মানুষ। ভবিষ্যতে এলাকার মানুষ যাতে ইজারাদার কর্তৃক নির্যাতিত না হয় এবং এলাকার পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত হয় এ জন্য আগামীতে গাংরখী নদী আর ইজারা দেওয়া হবে না।’
‘ইতিমধ্যে ইজারা বন্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রাণালয়ে উপ-আনুষ্ঠানিক পত্র দেওয়া হয়েছে’ উল্লেখ করে এমপি বলেন, ‘আগামী বছরের প্রথম থেকে অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ থেকে জনগুরুত্বপূর্ণ গাংরখী নদী জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’
গড়ইখালী ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ শেখ মনিরুল ইসলাম, মহেশ্বরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয়কুমার সরদার
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা গাজী মিজানুর রহমান, আলহাজ মুনছুর আলী গাজী, গোলাম রব্বানী, এসএম আয়ুব আলী, মহাশিষ সরদার, বিএম শফি, আক্তার হোসেন গাইন, কৃষ্ণ মণ্ডল, আব্দুস সাত্তার, অবনীষ সরদার, দীলিপকুমার সানা, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ মণ্ডল, জেলা যুবলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএম মশিয়ার রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, পাইকগাছা ও কয়রার গড়ইখালী ও মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী ৭২ একর আয়তনের শালিকখালী (গাংরখী) বদ্ধ নদী ইজারাদার কামরুল গাইন গত সাত বছর ধরে ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন।

আরও পড়ুন