যশোর বোর্ডে পাস কমেছে ইংরেজির কারণে!

আপডেট: 05:47:40 19/07/2018



img

স্টাফ রিপোর্টার : এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে গতবারের চেয়ে যশোর বোর্ডে এবার পাসের হার এবং জিপিএ ৫ দুটোই কমেছে।
এ বছর পাসের হার ৬০.৪০ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই হাজার ৮৯ জন।
গতবার পাসের হার ছিল ৭০ দশমিক ০২ এবং জিপিএ ৫ ছিল দুই হাজার ৪৪৭। দেখা যাচ্ছে, পাসের হার প্রায় ১০ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ এবার তিন শতাধিক কমেছে।
তবে, শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, পাসের হার কমেছে সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ- প্রশ্নফাঁসের মতো ব্যাধি রোধ করায়।  তাছাড়া এবার ইংরেজি পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী ফেল করায় শুধু যশোর বোর্ড নয়, অন্য বোর্ডগুলোতেও একই অবস্থা।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় যশোর শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধবচন্দ্র রুদ্র প্রেসক্লাব যশোরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এ সময় পরীক্ষায় পাসের হার এতো কম কেনো?- এমন প্রশ্নের জবাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, এবারের পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে ছেলেমেয়েরা ভালো করতে পারেনি। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ইংরেজিতে খারাপ করেছে। যশোর বোর্ডে ইংরেজিতে পাস করেছে মাত্র ৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী; যা গোটা পাসের হারে প্রভাব ফেলেছে।
তিনি বলেন, ইংরেজিতে ফেল করার কারণে এবার মানবিক বিভাগে পাসের হারও খুব কম; বিজ্ঞান বিভাগে পাশের হার ৮১.৭২ হলেও মানবিকে তার হার মাত্র ৫৮.৯৬। এই ফলাফল গোটা ফলাফলে দারুণভাবে প্রভাব ফেলেছে। তবে, জিপিএ ৫ সামান্য কম হলেও ভালো শিক্ষার্থীদের ফলাফলে তা প্রভাব ফেলেনি।
এ বছর যশোর শিক্ষাবোর্ডের অধীনে দশ জেলার ৫৭৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে এক লাখ নয় হাজার ৬৯২ শিক্ষার্থী ২১৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে ছেলে ৫৬ হাজার ৮২০ এবং মেয়ে ৫২ হাজার ৮৭২ জন। পাস করেছে ৬৬ হাজার ২৫৮ জন।
মাধবচন্দ্র রুদ্র বলেন, চলতি বছর যশোর বোর্ডের অধীন চারটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজনও পাস করতে পারেনি। এগুলো হচ্ছে, কুষ্টিয়ার গোরাপাড়া হাজী নূরুল হক কলেজ (পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১), নড়াইলের গোবরা মহিলা কলেজ (পরীক্ষার্থী ৮), খুলনার হাড্ডা পাবলিক কলেজ (পরীক্ষার্থী ৭) এবং ঝিনাইদহের প্রগতি মহিলা কলেজ (পরীক্ষার্থী ১৯)।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, ঝিনাইদহের প্রগতি মহিলা কলেজ থেকে এবার যে ১৯ জন পরীক্ষা দিয়েছেন, তারা সবাই অনিয়মিত এবং প্রত্যেকেই ইংরেজিতে ফেল করেছে।‘
তবে, শতভাগ পাস করেছে বোর্ডের অধীনে ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন