চার বছরের শিশু ধর্ষিত, অভিযুক্ত কিশোর আটক

আপডেট: 02:39:04 07/11/2018



img

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : কলারোয়ায় একদিনের ব্যবধানে এবার চার বছরের এক কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষক রাসেল হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
আটক রাসেল হোসেন (১৪) কাকডাঙ্গা গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের একটি গ্রামে।
শিশুটির চাচা ইসমাইল হোসেন জানান, মঙ্গলবার দুপুরের খাওয়ার পর বাড়ির আঙিনায় খেলা করছিল চার বছরের মেয়েটি। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে এসে শিশুটি তার মাকে জানায়, একই এলাকার রাসেল (১৪) নামে এক কিশোর তাকে ভুলিয়ে পাশের টেন্টির পুকুর এলাকার বাগানে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন করেছে। এই সময় শিশুটির শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল। তার অবস্থা দেখে স্বজনসহ এলাকার লোক তখনই রাসেলকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার ও কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মারুফ আহম্মদ সেখানে গিয়ে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পান। পরে অভিযুক্ত রাসেলকে আটক করে কলারোয়া থানায় নেওয়া হয়। ভুক্তভোগী শিশুটিকে জেলা পুলিশের সহযোগিতায় সাতক্ষীরার ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
শিশুটির বাবা বলেন, ‘আমি কাজের তাগিদে ভোমরায় ছিলাম। ফোনে বিষয়টি জানতে পেরে বাড়িতে আসি। আমি এই ঘটনার ন্যায্য বিচার চাই।’
কেঁড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আফজাল হোসেন হাবিল বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তারা উভয়েই অপ্রাপ্তবয়স্ক। ভিকটিমের মেডিকেল চেকআপের পর সত্যতা জানা যাবে।’
কলারোয়া থানার ওসি মারুফ আহম্মদ বলেন, ‘ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। আমাদের সার্কেল এএসপি মহোদয়ের মাধ্যমে ভিকটিমকে সাতক্ষীরার ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। মামলা হচ্ছে।’
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেরিনা আক্তার বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ভিকটিমের চিকিৎসা চলছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হচ্ছে।’
এর আগে সোমবার কলারোয়ার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী যৌন নিপীড়ণের শিকার হয়। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেনকে পিটিয়ে পুলিশে দেয় জনতা।

আরও পড়ুন