অভিযুক্তদের ডিএনএ টেস্টের উদ্যোগ

আপডেট: 01:29:39 08/09/2019



img

স্টাফ রিপোর্টার :যশোরের শার্শায় গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এছাড়া ডাক্তারি পরীক্ষায় পাওয়া ধর্ষণের আলামতের সঙ্গে অভিযুক্তদের ডিএনএ টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে।
পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের নির্দেশে শার্শায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলাটি শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই যশোর। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়েছে ইনসপেক্টর শেখ মোনায়েম হোসেনকে। দায়িত্ব পেয়েই ৬ সেপ্টেম্বর তিনি ওই গৃহবধূর বাড়ি পরিদর্শন ও জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মোনায়েম হোসেন শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বলেন, ‘ভিকটিমের সোয়াপ কালেকশন করে ডিএনএ প্রোফাইলের জন্যে সিআইডি হেড কোয়ার্টারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ডাক্তারি পরীক্ষায় পাওয়া ধর্ষণের আলামতের সঙ্গে গ্রেফতার তিনজনের ডিএনএ টেস্ট করাতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।’
প্রধান অভিযুক্ত এসআই খায়রুল আলমের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি তদন্তের বিষয়। তদন্তে কারও যদি সম্পৃক্ততা থাকে, তাহলে পরবর্তীতে আপনাদের জানানো হবে।’
প্রসঙ্গত, ২ সেপ্টেম্বর শার্শা উপজেলার লক্ষ্মণপুর এলাকায় ওই গৃহবধূ বাড়িতে গভীর রাতে যায় এস আই খায়রুল, সোর্স কামরুলসহ চারজন। তারা ওই গৃহবধূর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এস আই খায়রুল ও কামরুল তাকে ধর্ষণ করেন বলে ওই গৃহবধূ অভিযোগ করেন।
৩ সেপ্টেম্বর সকালে ওই গৃহবধূ যশোর জেনারেল হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়। ওইদিন রাতেই শার্শা থানায় মামলা করেন গৃহবধূ। মামলায় এস আই খায়রুলের নাম রাখা হয়নি। আসামি করা হয় কামরুজ্জামান ওরফে কামরুল, লক্ষ্মণপুর এলাকার আব্দুল লতিফ, আব্দুল কাদের ও অজ্ঞাত একজনকে।
এ ঘটনা তদন্তে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আরিফ আহমেদ জানিয়েছিলেন, ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তবে, সেখানে কার কার সিমেন (বীর্য) রয়েছে তা জানতে ডিএনএ টেস্ট প্রয়োজন।
৬ সেপ্টেম্বর সকালে ওই গৃহবধূ সাংবাদিকদের বলেন, ভয়ে সেদিন রাতে এসআই খায়রুলের নাম বলতে পারেননি।

আরও পড়ুন