আলোচিত নাসির চৌধুরীর ১১টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ!

আপডেট: 03:06:00 19/01/2021



img

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: দুদকের মামলায় কালীগঞ্জের আলোচিত সেই দলিল লেখক, ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা নাসির উদ্দিন চৌধুরী, দুই স্ত্রী খোদেজা বেগম ও মিসেস মাহফুজা বেগম ও স্বজন মিকাইল হোসেন জোয়ার্দ্দারের ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
ঝিনাইদহ সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইবুনাল জজ আদালতের বিচারক মো. আবু আহছান হাবিব এই অবরুদ্ধের আদেশ দেন। গত ১১ জানুয়ারি আদালত এই আদেশ দেন, যা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে পৌঁছে গেছে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মামলার প্রধান আসামি কালীগঞ্জ উপজেলার সিমলা-রোকনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কালীগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক নাসির উদ্দিন চৌধুরীর চারটি একাউন্ট অবরুদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে সোনালী ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক ও রুপালী ব্যাংক কালীগঞ্জ শাখার একটি হিসাব এবং ব্র্যাক ব্যাংক যশোর শাখার একটি হিসাব। এছাড়া তার এক স্ত্রী খোদেজা বেগমের ব্র্যাক ব্যাংকের দুইটি হিসাব, দ্বিতীয় স্ত্রী মাহফুজা বেগমের সোনালী ব্যাংক যশোরের চুড়ামনকাটি শাখার দুইটি হিসাব রয়েছে। এছাড়া, এক স্বজন ঝিনাইদহ সদরের কুলফডাঙ্গা গ্রামের রেজাউল করিম জোয়ার্দ্দারের ছেলে মিকাইল হোসেন জোয়ার্দ্দারের ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড যশোর শাখার তিনটি হিসাব রয়েছে। সবমিলিয়ে ওই চার ব্যক্তির ১১টি হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, নাসির উদ্দিন চৌধুরীর নামে প্রায় ৬ কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের অভিযোগে দুদক যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহা. মোশারফ হোসেন গত বছরের ২৪ নভেম্বর বাদি হয়ে একটি মামলা করেন। ঝিনাইদহ সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইবুনাল জজ আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে দুদক যশোর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছসাদাতের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও তিনি মুঠোফোনটি ধরেননি। তবে ইতোপূর্বে জানিয়েছিলেন, দুদক প্রধান কার্যালয় থেকে অনুমতি পেয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত ও পরবর্তীতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত চলছে, এখনও আসামি গ্রেফতার হয়নি।



আরও পড়ুন