আহমদ শফীর জানাজায় লাখো মানুষ

আপডেট: 02:38:32 19/09/2020



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : চট্টগ্রামের আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী বড় মাদরাসার মহাপরিচালক ও হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজা শনিবার দুপুর সোয়া দুইটায় তার প্রিয় প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদরাসা প্রাঙ্গণেই তার দাফন করা হবে।
আল্লামা শাহ আহমদ শফীর জানাজায় ইমামতি করেন তার বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ মাদানী। মাদরাসা প্রাঙ্গণ পরিপূর্ণ হয়ে আশপাশে বহুদূর পর্যন্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
শনিবার ফজরের পর থেকেই হাজার হাজার আলেম, মাদরাসা শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ মাদরাসা প্রাঙ্গণে জড়ো হন। কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালীসহ আশপাশের জেলাগুলোর বহু কওমি মাদরাসা থেকে বিপুল শিক্ষার্থী ও আলেম জানাজায় অংশ নিতে আসেন।
রাজধানী ঢাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে আজ শনিবার সকাল নয়টায় আল্লামা শফীর মরদেহ মাদরাসা প্রাঙ্গণে পৌঁছায়।
রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে শুক্রবার সন্ধ্যায় মারা যান শাহ আহমদ শফী।
আহমদ শফী বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন অসুস্থতা ছাড়াও ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশনে ভুগছিলেন। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে হেফাজতের আমিরকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
শুক্রবার বিকেলে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আহমদ শফীকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আনা হয়। তাকে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা মাঠের পাশে অবস্থিত আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ভর্তির কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে শূরা কমিটির সভায় মাদরাসার মহাপরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেন আল্লামা আহমদ শফী। তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেও শূরা সভার প্রধান হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয়েছিল।
সূত্র : এনটিভি

আরও পড়ুন