একজন কালিদাস কর্মকার

আপডেট: 10:06:18 27/10/2019



img

উৎপল দত্ত

একজন শিল্পী যখন ঝরে যান, উন্মুক্ত ফসলের প্রান্তরে তখন একটি পরিচিত পাখির ঝরে পড়ার ব্যথা অনুভূত হয়। কিছু পালক রেখে যায় সেই পাখি। শিল্পী কালিদাস কর্মকারও কিছু পালক পেছনে রেখে গেলেন বর্ণ-ব্যঞ্জনায় যা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। এই স্বাতন্ত্র্যকে চিহ্নিত করার মধ্যে শিল্পীকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর আসল ফুলটি রয়ে গেছে।
কালিদাস কর্মকার ১৯৭৬ সালে শিল্পকলা একাডেমির গ্যালারিতে আয়োজিত তার প্রথম প্রদর্শনীতেই তার নিজস্ব শৈলীকে চিহ্নিত করে দেখিয়েছিলেন।
রঙ-তুলি-ক্যানভাসে চলাচল সময়ের সাথে, সবার সাথে হলেও তার যাত্রাপথ আলাদা। কয়েকটি বিষয়কে সুচিহ্নিত করতে পারলে, বোঝা যায় এই রূপান্তরিত বিশ্বে তিনি কতোটা অনন্য। এর মধ্যে পড়ে ভিসকসিটি প্রিন্টিং পদ্ধতি, ১৯৫০ থেকে আমেরিকাসহ পশ্চিমের শিল্প আন্দোলনের নিয়ামক সুররিয়ালিজম ও অ্যাবস্ট্রআক্ট ইম্প্রেশিনিজম, ব্রিটিশ শিল্পী ও ভিসকসিটি প্রিন্টিং এর উদ্ভাবক স্ট্যানলে উইলিয়াম হেইটলের সাথে সাহচর্য্য, পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে শিল্পীর ভুমিকা আর পুরোধার মতো অন্তরাত্মার অণ্বেষন ।
আর্থিক ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ বিশ্বকে রূপান্তরিত করেছে। রূপ বদলে যাচ্ছে শিল্পের, সংস্কৃতির ও মানুষের অভিরুচির। কালিদাস সেই জগতে থেকেই তার শিল্প যাত্রাকে সময়ের অনিবার্য উপাদানের সংমিশ্রনে গতিশীল রেখেছেন। তার শিল্পযাত্রা তীর্থ যাত্রার মতোই।

অন্তরাত্মার পথে অভিযাত্রী
মৃন্ময়ী আত্মার প্রতীকী ব্যঞ্জনা দিয়ে শেষ হয় তার সর্বশেষ চিত্র প্রদর্শনী। আলিয়ঁস ফ্রাঁসেজ এর আর্ট গ্যালারিতে আর্ট-সউল-সিম্বল (‘Soul-Soil-Symbols’’) শিরোনামে ঢাকায়, তার ৬৪তম প্রদর্শনী হয়েছিল। আপাত চোখে ড্রয়িং হলেও তা ড্রয়িং থেকে বেশি কিছু। গ্রাফিক্স প্রিন্ট মিডিয়ার দক্ষ কারিগর কালিদাস শুধু মাধ্যমের নৈপুণ্যে নয়, স্বপ্ন-বাস্তবতার সংশ্লেষে ড্রয়িংকে মাটি ও মানুষের প্রাণ-ভ্রমরের কাছে নিয়ে এসেছেন। মাটি ও মানুষের যোগাযোগ অনিবার্য ও অবিচ্ছিন্ন। তার শিল্পের এই প্রতীকী ও সমাহিত সংবাদ মনকে প্রসন্ন ও আক্ষরিক অর্থেই নির্বেদ করে।
নিরন্তর অন্তরাত্মার অনুসন্ধান, আলোড়িত আত্মার প্রশমন, তার ড্রয়িংকে বারবার ছুঁয়ে গেছে। রেখাকে রেখা মনে হয় না; রেখা টেনে নেয় প্রশান্তির পথে, স্থিত হতে বলে নির্বেদ উঠোনে। কালিদাস কর্মকারের এক্সিবিশনের নামকরণেই তার সাক্ষর আছে। Love and Nature’ ‘Alluvial Pain and Salvation’ ‘Realisation of Soul’অথবা ‘Soul Soil Symbols’
অ্যাক্রিলিকে তিনি স্বপ্নজাল বুনেছেন, তার ড্রয়িং হয়ে ওঠে অন্তরের অন্বিষ্ট পাখি যা শান্ত হতে বলে, সমাহিত করে। নিজস্ব উদ্ভাবিত কাগজে মিশ্র মাধ্যমে এচিং আবেগ ও চৈতন্যকে উন্মথিত করে। মাধ্যম ও ভাবসম্পদ নির্বিচারে তার অন্তর্যাত্রা আত্মার অভিমুখী। সুররিয়্যালিজমের প্রতি সন্নিহিত থেকেছেন, বস্তুু ও ভাবনার বিন্যাসকে বিমূর্তায়ন করেছেন। পরিবর্তন ও মানুষের প্রয়োজনের কথাটি মনে রেখেছেন। ইজাগতিক প্রশ্নে এই পরিবর্তিত বিশ্বে ভিসকসিটির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। তার শিল্পযাত্রাটি তাই তীর্থযাত্রার মতোই।

পরিবর্তিত বিশ্বে কালিদাসের প্রাসঙ্গিকতা
বৈশ্বিক পরিবর্তন মানুষের মনন, আচরণ, বন্ধন, সমাজ-সংস্কৃতি ও তার উপাদানগুলিকে বদলে দিয়েছে। বাজার অর্থনীতির যুগে শিল্পও পণ্য। শিল্পকর্ম পণ্য নয়, তা নয়। আগেও ছিলো। গ্যালারিতে একটি নান্দনিক মানসম্পন্ন চিত্রকলা প্রশংসা কুড়িয়ে ঝুলে থাকবে, কাঙ্ক্ষিত মূল্যে তা বিক্রয় হবে না– তা অনাকাঙ্ক্ষিত। একজন শিল্পীও পেশাজীবী। জীবনযাপনের প্রয়োজনেই তাকে তার শিল্পকর্মটি থেকে অর্থ আহরণ করতে হয়। ক্ষুধার পাশাপাশি তার মননের ক্ষুধাও আছে।
খোলাবাজার অর্থনীতি শিল্পকেও ভিন্ন চোখে দেখছে। অ্যাস্থেটিক ভ্যালু বা নন্দনতাত্ত্বিক উৎকর্ষের পাশাপাশি তার প্রায়োগিক প্রশ্নটিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। শিল্প তাই শুধু দেয়াল, ক্যানভাস, মৃৎপাত্র, ধাতু বা কাগজে নয়। তার পরিসর বেড়ে গেছে। বিশ্ববাজার তার পরিধি বাড়াচ্ছে। এই পরিবর্তনকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। তার ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে প্রিন্ট, কাগজ, রঙ, স্থাপনা, স্থাপত্যসহ আনুষাঙ্গিক উপাদানের সাথে যা মানুষের জীবনযাপনের সূত্রে ও বৃত্তে পড়ে। একটি চিত্রকর্মের রঙ-রেখা তাই শুধু দেয়ালে ঝুলে থাকে না।
যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যম। শিল্পের ভাষাকে নতুন উদ্ভাবিত প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত করে তাকে আরও উৎকর্ষ দেয়া এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফলকে সাফল্যের সাথে বের করে আনা গুরুত্বপূর্ণ। কালিদাস কর্মকার সেই কাজটি করেছেন। সাফল্যের সাথেই করেছেন। বাংলাদেশে ভিসকসিটি প্রিন্টিং এর সাথে পরিচয়, গবেষণা ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে তিনি পথিকৃৎ।

প্রযুক্তির সাথে শিল্পের দ্বন্দ্ব ও কালিদাস
প্রযুক্তির বিকাশ শিল্পকে উৎপাদন ও বাজারমুখী করলে তা শিল্পীর মূল সত্ত্বাকে, তার ভাবসম্পদ ও দক্ষতাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে। নিজস্ব শিল্পভাবনা থেকে ছিটকে না পড়লেও অন্তত শিল্পীর প্রযু্িক্ত-সংলগ্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কাটি থেকে যায়। কালিদাস কর্মকারের ক্ষেত্রে তা হয়নি। শিল্পকর্ম ও শিল্পচর্চার মৌলিক জায়গায় নিজেকে কেন্দ্রস্থ রেখে তিনি অনায়াসে পথ হেঁটেছেন। দর্শক তার কাজ দেখেছে। প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ করে তার শিল্প-সম্পৃক্ত উদ্ভাবনকে দেখেছে। বিশুদ্ধতার জায়গা থেকে বিচ্যুত হননি, তাই জাতি সমাজ কালিদাসের কাছ থেকে নতুন সম্পদ পেয়েছে। যা এই সময়েরই ফসল, কালিদাস তা শিল্পের মাত্রা দিয়েই ঘরে তুলেছেন।
খোলা বাজার, বিনিয়োগ, ক্রয়বিক্রয়, মানুষের মনে নিয়ত ভিন্ন চাহিদা তৈরি করছে। প্রযুক্তি ও প্রকৌশল যখন দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে, তখন তার সাথে সামঞ্জস্য রাখার প্রচেষ্টা সংশয়ের জন্ম দেয়। শিল্প যখন উঠে আসে ইন্টেরিয়র ডেকরেশন বা হাই রাইজ বিল্ডিং-এ তখন শিল্পের চিরায়ত আবেদন মুছে যায় কিনা! ডিজিটাল টাচ, তুলি কেড়ে নিচ্ছে কিনা! চারকোল, ইংক বা পেন্সিল-স্ট্রোক, ব্রাশের ব্যঞ্জনা হারিয়ে গেল কিনা, এইসব সংশয় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। শেকড়, সংস্কৃতির চিরচেনা পরিধির বাইরে হঠাৎ প্রযুক্তির ঝড়ো হাওয়া সব উড়িয়ে নিয়ে গেল কী!
এই পরিবর্তন অর্থনীতি ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের ফলাফল। অর্থনীতি, স্পষ্ট করে বললে ‘মার্কেট ইকোনমি’ মানুষের চাহিদার বিন্যাস অদল-বদল করে আর বিজ্ঞান-প্রযুক্তির উদ্ভাবন তাকে গতিশীল করার সুযোগ সৃষ্টি করে। এ দুইয়ের অভিঘাত মনকে আলোড়িত করতেই পারে। যদি ধরে নেয়া যায়, প্রযুক্তির উন্নয়ন, বাজার অর্থনীতির ক্রমবিকাশ এই মুহূর্তে থামছে না তাহলে বৈশ্বিক উপাদানগুলি একটি যুগসন্ধিক্ষণের মধ্য দিয়েই যাচ্ছে। তার মধ্যে শিল্পও পড়ে। চলমান অবস্থায় অবস্থান সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তরঙ্গ থিতিয়ে এলে হয়তো বোঝা যাবে মানুষ ও শিল্পের অবস্থান কোথায়। পরম্পরা, সংস্কৃতি, শেকড় হুমকির মুখে নাকি তা নতুন আদল পেতে যাচ্ছে তা সুনির্দিষ্ট করা জরুরী। এই কাজটি একজন সমাজ-সংস্কৃতি সচেতন শিল্পীর চোখে আগে ধরা পড়ে। একজন শিল্পী দ্রুত অনুধাবন করেন, তার সমাজে পরিবর্তনের হাওয়াকে কী ভাবে ব্যবহার করতে হবে, কতোটুকু ব্যবহার করতে হবে। কালিদাস কর্মকারকে তখনই মনে পড়ে। কালিদাস কর্মকার তখনই প্রবলভাবে উঠে আসেন। শিল্পসত্ত্বার বড়সড় আয়তন নিয়ে উঠে আসেন। মানুষকে তিনি এক হাতে শিল্পের শেকড়ে রেখে অন্য হাতে প্রযুক্তির পুষ্টি হাতে তুলে দিয়েছেন।

আ্যবস্ট্রাক্ট ইম্প্রেশনিজম প্রসঙ্গ
আ্যবস্ট্রাক্ট ইম্প্রেশনিজমের সূতিকাগার আমেরিকার নিউইয়র্ক শহর। ১৯৪০ এর দশকে শুরু এই শিল্প-আন্দোলন শিল্পী-মনকে আন্দোলিত করে খুব দ্রুত। ১৯৫০ সালে এসে তা পশ্চিমের শিল্পকলার নিয়ামক হয়ে ওঠে। এই প্রণোদনার পেছনে সুররিয়ালিজম একটি কারণ হতে পারে বলে শিল্প-সমালোচকরা মনে করেন। অনেক সমালোচক সুনির্দিষ্টভবে সুররিয়ালিজমকেই চিহ্নিত করেছেন। তার কারণও আছে। সাহিত্য ও শিল্পকলায় সবসময়র সুররিয়্যালিজমের প্রভাব ও প্রয়োগ দেখা গেছে। সুররিয়ালিজম অবচেতন মনের সংবাদ যা ব্যক্ত হয়েও নৈর্বক্তিক থেকে যায়। ইম্প্রেশনিজমের সাথে বিমূর্ত বা অ্যাবস্ট্রাক্ট কথাটি জুড়ে দেয়া হয় শিল্পীর প্রয়োজনেই। শিল্পী যখন তার শিল্পের আবেদনকে একই সাথে বিমূর্তায়ন করেন ও তাকে প্রকাশধর্মিতায় ধরতে চান তখনই ইম্প্রেশনিজম অ্যবস্ট্রাক্ট ইম্প্রেশনিজমের আদল পায়। এভাবেই আসে অ্যবস্ট্রাক্ট ইম্প্রেশনিজম। যার অন্তরালে কাজ করে সুররিয়ালিজম । শিল্পী কালিদাস কর্মকার উভয় ধারার সাথে যুক্ত ছিলেন। এর সাথে তার ভিসকসিটি প্রিন্টিং-এ প্রশিক্ষণ নেয়ার বিষয়টি সম্পৃক্ত।

ভিসকসিটি প্রিন্টিং : স্ট্যানলি ও কালিদাস
ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠা আ্যবস্ট্রাক্ট ইম্প্রেশনিজমের ধারায় আসেন স্ট্যানলে উইলিয়াম হেইটার (Stanley William Hayter 27 December 1901 – 4 May 1988) স্ট্যানলে উইলিয়াম হেইটার একজন ব্রিটিশ শিল্পী যিনি প্রিন্টিংএ নতুন কিছু উদ্ভাবনে সচেষ্ট ছিলেন। সুররিয়ালিজম এবং অ্যাবস্ট্রাক্ট ইম্প্রেনিজমের ভাবাদর্শে প্রবল প্রভাবিত স্ট্যানলের হাতে জন্ম হয় ভিসকসিটি প্রিন্টিং। প্যারিসে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন তার নিজস্ব স্টুডিয়ো যা একসময় লেজেন্ড হয়ে ওঠে। এখন তা `Atelier Contrepoint’ নামে পরিচিত। আমৃত্যু, ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি সেখানেই কাজ করেন। স্টুডিয়োতে খ্যাতির শীর্ষে থাকা শিল্পীরা আনাগোনা করতেন। তাদের মধ্যে পাবলো পিকাসো, মার্ক শাগাল ও জোয়ান মিরোও ছিলেন।
ভিসকসিটি প্রিন্টিং আসলে অয়েল-বেজড কালি যা একটি প্লেট থেকে তিন বা তার বেশি রঙের বিন্যাস ঘটায়। রিলিফ প্রিন্টের সম্পূর্ণ বিপরীত এই কৌশল উদ্ভাবন করেন স্ট্যানলি। কালি থাকে প্লেটের নিচে। উপরিতলে এচিং, পেপার বা মেটাল বিছানো হয়। স্ট্যানলির এই উদ্ভাবন প্রিন্টিং এর যুগে নতুন অধ্যায় সূচনা করে।
শিল্পী কালিদাস কর্মকার বৃটিশ শিল্পী স্ট্যানলির সংস্পর্শে আসেন। প্রশিক্ষিত হন। একসাথে কাজ করেন। আর নিজের দেশে দিয়ে যান এই আবিষ্কারের ফসল যা প্রিন্টিং ও স্থাপত্যকলায় অভাবনীয় অবদান রাখতে সক্ষম।

কালিদাস কর্মকার নেই কি!
একজন শিল্পী যখন ঝরে যান, উন্মুক্ত ফসলের প্রান্তরে তখন পরিচিত পাখির ঝরে পড়ার ব্যথা অনুভূত হয়। আরও শস্যদানা ঠোঁটে তুলতে পারতো পাখিটি। রঙিন পালকের চেনা পাখিটিকে প্রতিদিন দেখছিল যারা আরও রঙিন পালকের কল্পনায় তারা মনোজগতে পাখিকে নির্মাণ করে। ভরা ফসলের মাঠে হঠাৎ পাখিটি ‘নেই’ হয়ে গেলে নক্ষত্রের স্থানটি কেড়ে নেয় একটি গহ্বর যার রঙ শুধুই ধূসর।
কালিদাস কর্মকার নেই কি! আরও শস্যদানা তুলে আনার কথা ছিলো তার। ছড়িয়ে দেয়ার অঙ্গীকার ও আবেদন ভেতরে ছিলো।
অবচেতন মন সে প্রত্যাশা পুষেছিল রেখেছিল। অ্যাবস্ট্রাক্ট ইম্প্রেশনিজমের মাঠ থেকে তিনি ‘নেই’ হয়ে গেলেন!
আসলে শিল্পী কখনও ‘নেই’ হয়ে যায় না। অ্যবস্ট্রাক্ট ইম্প্রেশনিজমের পরবর্তী পর্যায়ে পরের প্রজন্ম আসবে। তার দেখানো প্রযুক্তি ব্যবহারের পথ, প্রিন্ট-কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাবে শিল্প-সন্ধানী মানুষ। এভাবেই শিল্পী পরম্পরা রচনা করেন আর তার মধ্যে পুরোধার মতো বেঁচে থাকেন।
[বিডিনিউজ থেকে]