কারসাজি : দুই পেঁয়াজ আমদানিকারকের জেল

আপডেট: 08:31:21 05/11/2019



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : কারসাজি করে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকায় দুই আমদানিকারককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর স্টেশন রোডের নূপুর মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ আদেশ দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম।
দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আমদানিকারক হলেন- জেএস ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী মিনহাজ উদ্দিন বাপ্পি ও এ হোসাইন ব্রাদার্সের মালিক আবুল হোসেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কাছে তথ্য ছিল নূপুর মার্কেটের তিন আমদানিকারক কারসাজি করে পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় আজ দুপুরে ওই তিন আমদানিকারকের দুটি প্রতিষ্ঠানে আমরা অভিযান চালাই। এসময় দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে জানতে চাওয়া হয়, পেঁয়াজ আমদানি করার পর সেগুলো কোন প্রতিষ্ঠানের কাছে কত টাকায় বিক্রি করেছেন। এর কোনো বৈধ কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেনি। এ ঘটনায় দুই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও ভোক্তা অধিকার আইনে তাদের এই দণ্ড দেওয়া হয়েছে।’ 
এর আগে সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর খাতুনগঞ্জ এলাকায় পেঁয়াজের বাজারে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম জানতে পারেন, ১৫ জনের একটি সিন্ডিকেট কারসাজির মাধ্যমে ৪২ টাকায় আমদানি করা পেঁয়াজ ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন। ১৫ জনের ওই সিন্ডিকেটে এই দুই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।
সিন্ডিকেটে থাকা অপর ব্যক্তিরা হলেন- নগরীর নূপুর মার্কেট এলাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স সোহরাব এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স আল্লাহর দান স্টোর, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ এলাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আলিফ এন্টারপ্রাইজ, শাকিল ট্রেডার্স, গ্লোবাল লজেস্টিক নেটওয়ার্ক, আমদানিকারক সজীব, জহির, সাদ্দাম এই সিন্ডিকেটে রয়েছে। এর বাইরে রয়েছে বিক্রেতা ফোরকান, শফি, মিন্টু, খালেক, টিপু, আড়তদার মেসার্স আজমীর ভান্ডার, খাতুনগঞ্জ ট্রেডার্স, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠান জেবি অ্যান্ড সন্সের মালিক আব্দুল খালেক।
সূত্র : বিডিনিউজ