কালিয়ায় ইউএনও ডাক্তার সাংবাদিক কোয়ারেন্টাইনে

আপডেট: 04:56:09 13/05/2020



img

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়ায় করোনা উপসর্গে মৃত ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। বুধবার তার নমুনা পরীক্ষার ফল পজেটিভ আসে। সিভিল সার্জন ডা. মো. আবদুল মোমেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পজেটিভ রিপোর্ট আসার পর পরই কালিয়ার ইউএনও, ডাক্তার, গণমাধ্যমকর্মীসহ সাতজন কোয়ারেন্টাইনে গেছেন। গ্রামটি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গেল শনিবার (৯ মে) গভীর রাতে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চোরখালি গ্রামের বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরী (৫০) করোনা উপসর্গে মারা যান। পরদিন সকাল দশটার দিকে তাকে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুদা, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ফসিয়ার রহমান, কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কাজল মল্লিক, মৃতের দূর সম্পর্কের এক নাতি ও মন্টু বৈরাগিসহ ৬-৭ ব্যক্তি মরদেহ ঘর থেকে বের করে শ্মশানে নিয়ে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সৎকার করেন। মৃত বিশ্বজিৎকে দাহ করার সময় তার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া সন্তান দায়সারাভাবে বাবার দেহে দূর থেকে পাটকাঠি দিয়ে আগুন দিয়ে মুখ রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে অবশ্য তারা এই অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ আখ্যা দেন।
হোম কোয়ারেন্টিনে যাওয়া কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হুদা বলেন, মৃতের সৎকারের সময় আমরা যে সাতজন ছিলাম সবার দেহের নমুনা পাঠানো হয়েছে পরীক্ষার জন্য। এখনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। চোরখালী গ্রামজুড়ে কঠোরভাবে লকডাউন পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বড়দিয়া গ্রামের নির্মল রায়চৌধুরীর ছেলে বিশ্বজিৎ রায়চৌধুরী ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করতেন। ঢাকা থেকে কাশিসহ করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর দুইদিন আগে বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। এরপর আলাদা রাখা হয় তাকে। শনিবার গভীর রাতে তিনি মারা যান

আরও পড়ুন