কালীগঞ্জ মহেশপুরে জামানত বেঁচেছে শুধু নৌকার

আপডেট: 06:25:05 01/03/2021



img

তারেক মাহমুদ, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) : ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ও মহেশপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী বাদে প্রতিদ্ব›দ্বী সবাই জামানত হারিয়েছেন। এ দুই পৌরসভায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ মেয়র পদে চারজন করে মোট আট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী যেকোনো প্রার্থী কাস্টিং ভোটের আট ভাগের এক ভাগ পেলে জামানত ফেরত পান।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ পৌরসভায় মোট ভোট পড়েছে ২৬ হাজার ৮৩৯টি। জামানত বাঁচাতে হলে একজন প্রার্থীকে আট ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ অন্যূন তিন হাজার ৩৫৪টি ভোট পেতে হবে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, নৌকা প্রতীক নিয়ে আশরাফুল আলম আশরাফ পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩২৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি দলীয় ধানের শীষের আলহাজ মাহবুবার রহমান পেয়েছেন তিন হাজার ৭৪ ভোট। এছাড়া ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের হাতপাখার নুরুল ইসলাম এক হাজার ৪৭১ এবং স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নারকেলগাছ প্রতীকের এনামুল হক ইমান পেয়েছেন দুই হাজার ৮১৬ ভোট।
ফলে এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আশরাফুল আলম আশরাফ বাদে সবাই জামানত হারিয়েছেন।
অন্যদিকে, মহেশপুর পৌরসভা নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ১৫ হাজার ৯৭৫টি। জামানত বাঁচাতে হলে একজন প্রার্থীকে এক হাজার ৯৯৬টি ভোট পেতে হবে। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুর রশিদ খাঁন নৌকা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫৯৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের আমিরুল ইসলাম খাঁন চুন্নু পেয়েছেন এক হাজার ৫৫ ভোট। এছাড়া নারকেলগাছ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাংবাদিক গোলাম মোস্তফা কিরণ ৯২২ ভোট এবং ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের হাতপাখার তাহাবুর রহমান ভোট পান ৩৮৩টি।
ফলে এখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুর রশিদ খাঁন বাদে সবাই জমানত হারিয়েছেন। তবে কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়া ও প্রশাসনের সহযোগিতায় জোর করে ভোট নেওয়াসহ নানা অভিযোগে দুপুরে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি প্রার্থী।

আরও পড়ুন