কুষ্টিয়ায় চার খুনির মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন

আপডেট: 06:43:13 01/12/2019



img

শ্যামলী খন্দকার, কুষ্টিয়া : জেলার ভেড়ারামায় বোনকে উত্ত্যক্ত করতে বাধা দেওয়ায় দুই সহোদরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল; সেই মামলায় অভিযুক্ত চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, সাতজনের যাবজ্জীবন এবং ১১ জনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার সকাল সাড়ে দশটায় আসামিদের উপস্থিতিতে কুষ্টিয়ার নারী-শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মুন্সি মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ফকিরাবাদ গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে কমল হোসেন মালিথা, কাবুল প্রামানিকের ছেলে কামরুল প্রামানিক ও সুমন প্রামানিক এবং নজরুল ইসলামের ছেলে নয়ন শেখ।
মামলার প্রধান আসামি মো. আরিফ অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে দশ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
সরকার পক্ষের আইনজীবী এবং মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে ভেড়ামারার ফকিরাবাদ গ্রামের রতন আলীর মেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী তৃষাকে একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে আরিফ মালিথা স্কুল থেকে ফেরার পথে উত্ত্যক্ত করছিল। তৃষার বাবা রতন এবং তার স্বজনরা এর প্রতিবাদ করলে আসামিদের সঙ্গে তাদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই দিন রাত সাড়ে আটটার দিকে রতনের বাবা এবং দুই চাচা নামাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে পরানখালী রাস্তার ওপর আসামিরা তাদেরকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই রতনের বাবা মুজিবর রহমান মাস্টার এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে চাচা মিজানুর রহমান মারা যান।
এই ঘটনায় রতনের ভাই জাহারুল ইসলাম বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।  
কুষ্টিয়া আদালতের পিপি অনুপকুমার নন্দী জানান, শুনানি শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মুন্সি মশিউর রহমান আজ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন