খুনের জেরে কালিয়ায় বাড়ি ভাঙচুর লুট

আপডেট: 07:10:33 10/01/2020



img
img

নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের চালিতাতলা গ্রামে দুইপক্ষের সংঘর্ষে আসলাম গাজী (৪৪) নামে এক ব্যক্তি নিহতের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার রাত দশটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, আসলাম গাজী হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাদশা গাজী ও ইদ্রিস গাজীর নেতৃত্বে তাদের লোকজন বুধবার রাতে প্রতিপক্ষ বাবুল শেখের দুটি পাকাঘর ভাঙচুর ও তছনছ করে করে। তারা সাতটি গরু ও অনেক হাঁস-মুরগি লুটে নেয়। ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পরিবারের ১৫ সদস্য অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। ওই দিনই আট নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আনিসুর রহমানের মুদি দোকান লুটপাট হয়। দোকানে প্রায় ৬০ হাজার টাকার মালামাল ছিল।
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, বাবুল শেখের পাকাবাড়ির ইট, জানালা-দরজা, আসবাবপত্রসহ অন্যান্য মালামাল ভেঙে চুরমার করা হয়েছে। ঘরে বসবাসের অবস্থা নেই। সুনশান নীরবতা বিরাজ করছে।
প্রতিবেশীরা জানান, বুধবার রাতে ব্যাপক ভাঙচুরের শব্দ শুনে তারা আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন। ভয়ে এগিয়ে যাওয়ার সাহস হয়নি তাদের।
অভিযুক্ত গাজীরহাট এলাকার বাদশা ও ইদ্রিস গাজী বলেন, ‘আমরা কোনো বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট করেনি। তারা নিজেরা ভাঙচুর করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’
কালিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বাড়িঘর ভাঙচুরের কথা স্বীকার করলেও লুটপাটের কথা অস্বীকার করেন।
গত ১ জানুয়ারি সকালে খালে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে কালিয়া উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের চালিতাতলা গ্রামে দুইপক্ষের সংঘর্ষে আসলাম গাজী নিহত এবং উভয়পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হন। এই ঘটনায় নিহত আসলামের ভাই ইসমাইল গাজী ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে কালিয়া থানায় মামলা করেন।
স্থানীয়রা জানান, কালিয়ার চালিতাতলা গ্রামের কাদের মোল্যা ও ইদ্রিস গাজী সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত আধিপত্য বিস্তারের লড়াই চলে আসছে। নিহত আসলাম ওই গ্রামের ইদ্রিস গাজীর ছেলে।

আরও পড়ুন