খুলনার ঘাটে ঘাটে চালবাহী কার্গোর জট

আপডেট: 01:48:20 17/07/2021



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক: বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার ভারত থেকে চাল আমদানি করছে। তবে লকডাউনের প্রভাবে খুলনার নৌপথের ঘাটে ঘাটে আমদানি করা সরকারি চালবাহী কার্গোর জট লেগে আছে। বর্তমানে জটে আটকা পড়ে আছে ৩৫টি কার্গো। আর এ কার্গোগুলোতে রয়েছে ৪৭ হাজার মেট্রিক টন চাল। দুস্থদের মাঝে বিতরণ, ভিজিএফ, ওএমএস-এর জন্য এ চাল আমদানি করা হয়েছে। যা দেশের ছয় বিভাগের গুদামগুলোতে সরবরাহ করা হবে।
খাদ্য বিভাগের (চলাচল ও সংরক্ষণ নিয়ন্ত্রক) খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-নিয়ন্ত্রক বাদলচন্দ্র বিশ্বাস জানান, ভারত থেকে চাল নিয়ে ধারাবাহিকভাবে মোংলা বন্দরে জাহাজ আসে ও কার্গোতে খালাস হয়। কিন্তু লকডাউনের কারণে নির্ধারিত সময়ে এ চাল বিভিন্ন গুদামে পাঠানো সম্ভব হয়নি। ফলে জট পড়েছে।
আরও দুই লাখ টন চাল খুলনা নদীবন্দরে আসবে বলেও জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভারত থেকে দুই লাখ ৪৩ হাজার টন চাল আমদানির জন্য চুক্তি হয়েছিল। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মোংলা বন্দর ও খুলনার নদীবন্দরে এক লাখ ৯৩ হাজার টন চাল এসেছে। এর মধ্যে ৩৫টি কার্গোতে ৪৭ হাজার টন টন চাল খুলনার তিনটি নৌঘাটে খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। চার নম্বর ঘাটে ১৬টি, পাঁচ নম্বর ঘাটে সাতটি ও মহেশ্বরপাশা ঘাটে ১৪টি কার্গো রয়েছে। এ চাল দুস্থ, অসহায় পরিবার, ভিজিএফ, ওএমএস, জেলে, ঈদ উপলক্ষে এক কোটি পরিবার, আনসার, জেলখানা, পুলিশ, বিজিবি ও ফায়ার ব্রিগেডের জন্য আনা হয়েছে। এসব চাল ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন গুদামে পাঠানো হবে।
চার নম্বর ঘাটে অপেক্ষারত কার্গো রাজু অ্যান্ড তুহিন নেভিগেশনের চালক আব্দুস সালাম জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের (২৮ মে) দুই দিন পর ২৯ হাজার ৪০০ ব্যাগ চাল বোঝাই করে তারা কলকাতা বন্দর ত্যাগ করেন। মোংলা ও চার নম্বর ঘাটে এক মাস বিলম্ব হয়েছে। ১৫ জুলাই চাল খালাস শুরু হয়। খালাস শেষ হতে ঈদ পার হয়ে আরও এক সপ্তাহ সময় লাগবে।
চার নম্বর ঘাটের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিরুল ইসলাম জানান, জুলাইয়ের শুরু থেকে অতিবৃষ্টি, শ্রমিক সংকট, ঠিকাদারের অনুপস্থিতি, ট্রাক সংকট ইত্যাদি কারণে ঘাটে কার্গোর চাল খালাস করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

আরও পড়ুন