চিরচেনা ঈদ এবার ভিন্নরূপে

আপডেট: 02:49:30 25/05/2020



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : সারা দেশের মতো এবার যশোরেও ভিন্ন আমেজে উদযাপন হচ্ছে মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। মসজিদে না গিয়ে বাড়ির আঙিনা বা ছাদে পারিবারিকভাবে ঈদ-জামাতের আয়োজন করেন অনেকে।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কোথাও কোনো ঈদগাহ বা খোলা মাঠে ঈদের জামাত হয়নি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন মসজিদে আয়োজন করা হয় জামাতের। এতে বৃদ্ধ ও শিশুদের উপস্থিতি অন্যবছরের মতো ছিল না। ছিল না নামাজ শেষে অতি পরিচিত কোলাকুলির দৃশ্য। বহু মসজিদে একাধিক জামাত অনুষ্ঠিত হয় পরিস্থিতিগত কারণে।
মুসল্লিরা জায়নামাজ বা পাটি সঙ্গে নিয়ে যান মসজিদে। জীবাণুমুক্ত হয়ে মসজিদে ঢুকতে হয় তাদের। এরপর তারা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সারিবদ্ধ হয়ে বসেন। খুতবা শোনেন এবং নামাজ আদায় করেন। মোনাজাতে করোনা থেকে মুক্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া হয়।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা দ্রুত মসজিদ ত্যাগ করেন। পরিচিতজনদের কুশল জানা তো দূরঅস্ত, ঐতিহ্যবাহী কোলাকুলির দৃশ্যও চোখে পড়েনি। এক জামাতের পর পরবর্তী জামাত আয়োজনের আগে মসজিদে জীবাণুনাশক ছেটানো হয়।
যশোর কালেক্টরেট মসজিদে নামাজ আদায় করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নামাজ শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমরা শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে মসজিদে মসজিদে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করেছি।  মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজ আদায় করেছে। আমরা বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। এই সময় ধৈর্য ধারনের বিকল্প নেই। আস্তে আস্তে হয়তো শিথিলতা আসবে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আমাদের জীবনযাপন করতে হবে।’
যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ আজ অভাবনীয়ভাবে ফাঁকা পড়ে ছিল। আম্পানে বিধ্বস্ত হওয়া চালাগুলো মেরামতের পর কোনোরকম জানান দিচ্ছে এখানে ক’দিন আগে কাঁচাবাজার বসতো।

আরও পড়ুন