ছাত্রকে খুন করে লাশ ফেলা হলো মসজিদের পাশে

আপডেট: 01:55:32 17/03/2020



img

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : মণিরামপুরে প্রাইভেট পড়তে এসে ইকলাস হোসেন (১৯) নামে এক কলেজছাত্র খুন হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ছয়টার পর কোনো একসময় ঘটনাটি ঘটে।
দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে লাশ পলাশী মোড়-সংলগ্ন জামে মসজিদের পাশে ফেলে যায়। লাশের কপাল ও গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, মাথায় শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করে ও শ্বাসরোধ করে তাকে খুন করা হয়েছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মানিব্যাগ ও মোবাইল ফোন  উদ্ধার করেছে।
খবর পেয়ে মণিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম, ইনসপেক্টর (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান, খেদাপাড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সালাউদ্দিন ঘটনাস্থলে যান।
সকাল সাড়ে দশটায় এই খবর লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিল।
খুনের ঘটনাটি পলাশী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরার আওতাধীন। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে।
ইকলাস হাসান বাঘারপাড়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের আবু হানিফের ছেলে। পাঁচ বছর বয়স থেকে সে যশোর সদর উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামে নানা আইয়ার আলীর বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতো।  সে রুদ্রপুর কলেজের বাণিজ্য শাখার ছাত্র। আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় তার অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
নানা আইহার আলী জানান, ইকলাস মণিরামপুরের বাসুদেবপুর গ্রামের ইব্রাহিম নামে এক শিক্ষকের কাছে ইংরেজি প্রাইভেট পড়তো। প্রতিদিন সকালে ফজরের নামাজ শেষে সাইকেলে বা দৌঁড়ে সে প্রাইভেট পড়তে যেত। মঙ্গলবার সকালে নামাজ শেষে সে দৌঁড়ে প্রাইভেট পড়তে যায়। ঘণ্টাখানেক পর তার মৃত্যুর খবর আসে।
তিনি বলেন, 'রুদ্রপুর গ্রামে আমার নাতির কোনো শত্রু ছিল না। এখন প্রাইভেট পড়তে এসে কিছু হয়েছে কিনা বলতে পারব না।'
স্থানীয়রা জানান, সকালে মসজিদের নলকূপে পা ধুতে এসে এলাকার একব্যক্তি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর খবরটি ছড়িয়ে পড়ে।
কী কারণে ইকলাস খুন হয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানতে পারেনি পুলিশ। তবে প্রেমঘটিত কারণে বন্ধুর সঙ্গে শত্রুতার বশে সে খুন হতে পারে বলে এলাকায় প্রচার হচ্ছে।
খেদাপাড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই সালাউদ্দিন বলেন, খুনের ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন