জমিসহ ঘর পেয়ে উচ্ছ্বসিত যশোরের ৬৬৬ পরিবার

আপডেট: 01:55:43 23/01/2021



img
img

স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে আটটি উপজেলায় প্রথম ধাপে ৬৬৬টি পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়েছে। আজ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনের পর সুবিধাভোগীদের জমির দলিলসহ ঘর হস্তান্তর করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এসব দলিল হস্তান্তর করেন।
এদিকে জমিসহ নতুন ঘর পেয়ে উচ্ছ্বসিত সুবিধাভোগীরা। মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়ায় তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
দলিল হস্তান্তরকালে উপিস্থত ছিলেন যশোর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নূরজাহান ইসলাম নীরা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রফিকুল হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামানসহ সরকারি কর্মকর্তারা।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ ঘর প্রদানের উদ্যোগ নেন। তারই অংশ হিসেবে যশোরের আট উপজেলায় এক হাজার ৭৩টি পরিবারকে জমিসহ নুতন ঘর দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আজ প্রথম ধাপে ৬৬৬টি পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করা হলো। বাকি ৪০৭ পরিবারকে দ্রুততম সময়ে জমি ও ঘর হস্তান্তর করা হবে। প্রথম পর্যায়ে যশোর সদর উপজেলায় ২৯০টি, ঝিকরগাছায় ১৯টি. চৌগাছায় ২৫টি, মণিরামপুরে ১৯৯টি, অভয়নগরে ৫৭টি, কেশবপুরে ১২টি ও শার্শা উপলোয় ৫০টি জমিসহ ঘর বুঝে পেয়েছেন সুবিধাভোগীরা।
এদিকে জমিসহ নতুন ঘর পেয়ে উচ্ছ্বসিত সুবিধাভোগীরা। মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দেওয়ায় তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
শাহিনুর বেগম নামে একজন উপকারভোগী বলেন, 'আমার জায়গা জমি ছিলে না। পরের বাড়ি কাজকর্ম করতাম ও ভাড়া বাড়িতে থাকতাম। জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। এখন আমাদের মা জননি হাসিনা জায়গা দিয়েছে, ঘর দিয়েছে- আমি তাতে অনেক খুশি। তার জন্য নামাজ পড়ে মোনাজাত করবো। আমাদের মতো গরিবদের পাশে যেন সে সারাজীবন থাকতে পারে। আমাদের চোখের পানিটা যেন মুছে যায়। দোয়া করি প্রধানমন্ত্রী সারা পৃথিবীর কাছে সম্মান পায়।'
হাবিল উদ্দীন নামে অপর একজন সুবিধাভোগী বলেন, 'আমাদের সংসারে পাঁচজন লোক। মাঠে ঘাটে কাজ করে খাই। আমার কোনো জমি নেই। প্রধানমন্ত্রী জমি দেছে, ঘর দেছে। এ পেয়ে আমি খুব খুশি। বিনামূল্যে জমি-ঘর পাবো কোনোদিন ভাবিনি।'
স্বপন শেখ নামে আরেকজন বলেন, 'আমার বাড়ি রূপদিয়া। আমরা পরের ভিটায় থাকি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমারে জমিসহ ঘর দেছে। আমার সন্তানদের নিয়ে পরের জমিতে থাকতি হবে না। এখন আমি আর ভূমিহীন ঘরহীন না। আমি প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করি। তিনি যেন মানুষের কল্যাণে আরো কাজ করতে পারেন।'

আরও পড়ুন