জামিন হয়নি খালেদার, মুক্তির আশা ফিকে

আপডেট: 02:46:20 12/12/2019



img

সুবর্ণভূমি ডেস্ক : জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন সর্বোচ্চ আদালতেও নাকচ হয়ে গেছে।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় বিচারকের আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার সর্বসম্মত এই সিদ্ধান্ত দেয়।
বিএনপি চেয়ারপারসনের সম্মতি থাকলে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী তাকে দ্রুত ‘অ্যাডভানসড ট্রিটমেন্ট’ দেওয়ার পতদক্ষেপ নিতে বলেছে আপিল বিভাগ।
জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাত বছরের সাজার রায়ের পর হাই কোর্টে আপিল করে জামিন চেয়েছিলেন তার আইনজীবীরা।
অপরাধের গুরুত্ব, সংশ্লিষ্ট আইনের সর্বোচ্চ সাজা এবং বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদাসহ অন্য আসামিদের করা আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত- এ তিন বিবেচনায় হাই কোর্ট বেঞ্চ গত ৩১ জুলাই আবেদনটি খারিজ করে দিলে আপিল বিভাগে আসেন খালেদার আইনজীবীরা।
আদালতের বাইরে বিএনপিপন্থী ও সরকার সমর্থক আইনজীবীদের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ আর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আপিল বিভাগ বিএনপি চেয়ারপারসনের আবেদনটির নিষ্পত্তি করে দিলেন।
খালেদা জিয়ার পক্ষে জামিন আবেদনের শুনানি করেন জয়নুল আবেদীন ও খন্দকার মাহবুব হোসেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন মওদুদ আহমদ, নিতাই রায়চৌধুরী, মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ আরো কয়েকজন।
অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে খুরশীদ আলম খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জামিনের বিরোধিতা করে শুনানিতে অংশ নেন।
আদেশের পর খন্দকার মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, “জামিন চেয়ে আমরা আইনি লড়াই চালিয়েছি। সাত বছরের সাজায় জামিন না দেওয়া নজিরবিহীন। এটি সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি কলঙ্কজনক ঘটনা হয়ে থাকবে।”
দুর্নীতির দুই মামলায় মোট ১৭ বছরের দণ্ড মাথায় নিয়ে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গত এপ্রিল থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এর আগে বিভিন্ন মামলায় জামিন হওয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকিয়ে ছিলেন জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তার জামিন শুনানির দিকে। এ মামরায় জামিন হলেই তার মুক্তির পথ খুলবে বলে তারা আশা করছিলেন। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালতেও জামিন না মেলায় আপাতত তার মুক্তি মিলছে না।
সূত্র : বিডিনিউজ

আরও পড়ুন