জাল সনদে আট বছর কলেজশিক্ষকের!

আপডেট: 01:13:48 27/10/2019



img
img

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের চৌগাছা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে এনটিআরসিএ।
গত ৬ অক্টোবর এনটিআরসিএ'র সহকারী পরিচালক (পমূপ্র-৩) তাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ও বেশিনিক/পমূপ্র/সনদ যাচাই/৭৪৪(অংশ-৩৫)/২০১৭/৬৭৯ স্মারকের এক পত্রে কলেজ অধ্যক্ষকে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়। চৌগাছা থানাকেও এবিষয়ে অনুলিপি দিয়েছে এনটিআরসিএ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চৌগাছা সরকারি কলেজের কারিগরি শাখার ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক ও বিভাগীয় প্রধান তরিকুল ইসলাম রিপন ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখিয়ে ২০১১ সালে চৌগাছা ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ পান। ওই বছরই তিনি এমপিওভুক্ত হন। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ছিল ৪২৩১২৬০০ এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল ৯০০৩১১। সম্প্রতি এনটিআরসিএ যাচাই করে দেখে, ওই শিক্ষকের সনদটি সঠিক নয়। তিনি ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পরীক্ষায় তিনি আবশ্যিক বিষয়ে পেয়েছিলেন ৩০ এবং ঐচ্ছিক পরীক্ষায় পান ৩৬। এরপর ওই শিক্ষকের সনদটি সঠিক নয় মন্তব্যসহ তার আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক বিষয়ের নম্বর উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ''উপরে বর্ণিত তালিকার ক্রমিক নং-১০এ বর্ণিত সনদধারী জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন মর্মে দালিলিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে বিধায় উক্ত জাল ও ভূয়া সনদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে থানায় মামলা দায়েরপূর্বক অত্র অফিসকে অবহিতকরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।''
চৌগাছা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম কবির রোববার এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এবিষয়ে থানায় মামলা করেননি।
তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও নিউজ না করার জন্য বার বার অনুরোধ করেন।
অন্যদিকে প্রভাষক তরিকুল ইসলামের ব্যবহৃত সেলফোন দুটিতে বারবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।  সেকারণে তার বক্তব্য জানা যায়নি। 

আরও পড়ুন